রংপুরের তারাগঞ্জে তিন দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর এক ব্যক্তির মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা তামাকক্ষেতে রক্তের দাগ ও একজোড়া জুতা দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে মাটি খুঁড়ে ওই ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
নিহতের নাম মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫)। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুর্শা ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া মাজার সংলগ্ন এলাকায় ফাঁকা জমিতে মাটির নিচে পুতে রাখা অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার কারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন দিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি মঞ্জুরুল হোসেন। সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে পরিবারে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। গতকাল বুধবার স্থানীয়দের মাধ্যমে তার পরিবার জানতে পারে পাশের ঝাকুয়াপারা এলাকায় তামাকক্ষেতে মানুষের রক্ত ও একজোড়া জুতা পাওয়া গেছে। লোকজন সেখানে এসে মঞ্জুরুল হোসেনের জুতা শনাক্ত করে পুলিশে খবর দেয় এবং লাশ খোঁজা শুরু করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ খুঁজতে আরও ২৫ থেকে ৩০জন ঝাকুয়াপাড়ার মাঠে যান।
জানা যায়, মঞ্জুরুল হোসেনর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার নিঃস্ব।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের শত শত উৎসক লোকজন সেখানে ভিড় করছে দেখতে। পুলিশ লাশ উত্তোলন করছে।
মরদেহ শনাক্তকারী মঞ্জুরুল হকের ভাতিজা আখতারুজ্জামান বলেন, তিন দিন ধরে চাচা নিখোঁজ। বুধবার সন্ধ্যা ঝাাকুয়াপাড়া তামাকক্ষেতে রক্ত আর জুতা পাওয়ার খবরে এলাকাবাসীসহ এসে খোঁজাখুঁজি করি। পুলিশকেও জানাই। আজ আবার ৫টি ভ্যানে করে আমাদের এলাকার লোকজন সকালে এই দোলায় আসি। দুপুরে দিকে একটি জমির মাটি খোঁড়া দেখতে পাই। সেখানে মাটি সরালে চাচার লাশ পাওয়া যায়। তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল পাওয়া যায়নি।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণার করা হচ্ছে তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিহতের নাম মঞ্জুরুল হোসেন (৪৫)। তিনি কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম অনন্তপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুর্শা ইউনিয়নের ঝাকুয়াপাড়া মাজার সংলগ্ন এলাকায় ফাঁকা জমিতে মাটির নিচে পুতে রাখা অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার কারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন দিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি মঞ্জুরুল হোসেন। সম্ভাব্য আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে পরিবারে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। গতকাল বুধবার স্থানীয়দের মাধ্যমে তার পরিবার জানতে পারে পাশের ঝাকুয়াপারা এলাকায় তামাকক্ষেতে মানুষের রক্ত ও একজোড়া জুতা পাওয়া গেছে। লোকজন সেখানে এসে মঞ্জুরুল হোসেনের জুতা শনাক্ত করে পুলিশে খবর দেয় এবং লাশ খোঁজা শুরু করেন।
বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ খুঁজতে আরও ২৫ থেকে ৩০জন ঝাকুয়াপাড়ার মাঠে যান।
জানা যায়, মঞ্জুরুল হোসেনর স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার নিঃস্ব।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আশপাশের শত শত উৎসক লোকজন সেখানে ভিড় করছে দেখতে। পুলিশ লাশ উত্তোলন করছে।
মরদেহ শনাক্তকারী মঞ্জুরুল হকের ভাতিজা আখতারুজ্জামান বলেন, তিন দিন ধরে চাচা নিখোঁজ। বুধবার সন্ধ্যা ঝাাকুয়াপাড়া তামাকক্ষেতে রক্ত আর জুতা পাওয়ার খবরে এলাকাবাসীসহ এসে খোঁজাখুঁজি করি। পুলিশকেও জানাই। আজ আবার ৫টি ভ্যানে করে আমাদের এলাকার লোকজন সকালে এই দোলায় আসি। দুপুরে দিকে একটি জমির মাটি খোঁড়া দেখতে পাই। সেখানে মাটি সরালে চাচার লাশ পাওয়া যায়। তার মোটরসাইকেল ও মোবাইল পাওয়া যায়নি।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণার করা হচ্ছে তাকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক