ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে। এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও দলটির ভেতরে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয় পাওয়া এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে এনসিপি। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে। সদস্যসচিব হয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এনসিপিতে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি; বরং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।
এ ছাড়া এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামও দক্ষিণ সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘুরছে। তিনি ঢাকা-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাসর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের পরও দক্ষিণ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তার সক্রিয় উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি ঢাকা-১৮ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট পান।
উত্তর সিটিতে সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে এনসিপির মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব সর্দার আমিরুল ইসলামর নাম। আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, দুই সিটির নির্বাচন নিয়ে দলের ভেতরে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং শিগগিরই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেয় এনসিপি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলটি এককভাবে অংশ নেবে, নাকি জোটগতভাবে—তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এক সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা ও জোটগত সিদ্ধান্ত শেষ সময়ে হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ ছিল না। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই আগেভাগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি।
তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তবে জনগণ ও দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ১১-দলীয় জোটগতভাবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ঘিরে তাই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। এখন নজর প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণার দিকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরপর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয় পাওয়া এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে এনসিপি। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে। সদস্যসচিব হয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এনসিপিতে যোগ দেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি; বরং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে তার নাম আলোচনায় রয়েছে।
এ ছাড়া এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নামও দক্ষিণ সিটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঘুরছে। তিনি ঢাকা-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাসর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের পরও দক্ষিণ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তার সক্রিয় উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। তিনি ঢাকা-১৮ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট পান।
উত্তর সিটিতে সম্ভাব্য আরেক প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে এনসিপির মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব সর্দার আমিরুল ইসলামর নাম। আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, দুই সিটির নির্বাচন নিয়ে দলের ভেতরে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং শিগগিরই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।
জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটে যুক্ত হয়ে ৩০টি আসনে প্রার্থী দেয় এনসিপি। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলটি এককভাবে অংশ নেবে, নাকি জোটগতভাবে—তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এক সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা ও জোটগত সিদ্ধান্ত শেষ সময়ে হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ ছিল না। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই আগেভাগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি।
তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তবে জনগণ ও দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ১১-দলীয় জোটগতভাবেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ঘিরে তাই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। এখন নজর প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণার দিকে।
অনলাইন ডেস্ক