ঘরে-বাইরের নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে স্ব স্ব ক্ষেত্রে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানো রাজশাহী বিভাগের ৪০ নারীকে অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত বিভাগীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এ সময় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে বিভাগের সেরা অদম্য নারী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪০ জনের মধ্য থেকে প্রতি ক্যাটাগরিতে দুজন করে মোট ১০ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিচারকদের রায়ে সেখান থেকে পাঁচজন বিভাগীয় সেরা নির্বাচিত হন।
বিভাগের সেরা বিজয়ীরা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে পাবনা সদর উপজেলার মোছা. লতা খাতুন; শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রিজু তামান্না, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার রাশেদা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রাজিয়া খাতুন এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী ক্যাটাগরিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সুমাইয়া ইসলাম। এ পাঁচজন জাতীয় পর্যায়ের বাছাইয়ে রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, আমাদের প্রত্যেক নারী কোনো না কোনো ক্ষেত্রে অদম্য। বহু বাধা-প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই তাদের এগিয়ে আসতে হয়। আজকের এই আয়োজন তাদের সেই সংগ্রাম ও সাফল্যের স্বীকৃতি। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অনুপ্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে।
বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪০ নারীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। নিজ নিজ এলাকায় থাকা অন্য অদম্য নারীদের এগিয়ে আনতে তাদের উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় সেরা পাঁচজনকে পুরো বিভাগে কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান তিনি। বিজয়ী নারীদের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতিও অনুরোধ জানান বিভাগীয় কমিশনার।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচি পরিচালক মো. মনির হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সেরা পাঁচজন অদম্য নারীকে ২৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া বাকি ৩৫ জনকে ৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের আট জেলার নির্বাচিত ৪০ নারী ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত বিভাগীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এ সময় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে বিভাগের সেরা অদম্য নারী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪০ জনের মধ্য থেকে প্রতি ক্যাটাগরিতে দুজন করে মোট ১০ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিচারকদের রায়ে সেখান থেকে পাঁচজন বিভাগীয় সেরা নির্বাচিত হন।
বিভাগের সেরা বিজয়ীরা হলেন, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে পাবনা সদর উপজেলার মোছা. লতা খাতুন; শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার রিজু তামান্না, সফল জননী নারী ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার রাশেদা বেগম, নির্যাতনের বিভীষিকা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা নারী ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রাজিয়া খাতুন এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী ক্যাটাগরিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সুমাইয়া ইসলাম। এ পাঁচজন জাতীয় পর্যায়ের বাছাইয়ে রাজশাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ বলেন, আমাদের প্রত্যেক নারী কোনো না কোনো ক্ষেত্রে অদম্য। বহু বাধা-প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই তাদের এগিয়ে আসতে হয়। আজকের এই আয়োজন তাদের সেই সংগ্রাম ও সাফল্যের স্বীকৃতি। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়, বরং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার অনুপ্রেরণা হিসেবেও কাজ করবে।
বিভাগীয় পর্যায়ে নির্বাচিত ৪০ নারীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। নিজ নিজ এলাকায় থাকা অন্য অদম্য নারীদের এগিয়ে আনতে তাদের উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে বিভাগীয় সেরা পাঁচজনকে পুরো বিভাগে কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান তিনি। বিজয়ী নারীদের জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতিও অনুরোধ জানান বিভাগীয় কমিশনার।
অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার এবং আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোঃ রিয়াজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচি পরিচালক মো. মনির হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় সেরা পাঁচজন অদম্য নারীকে ২৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও সনদ প্রদান করা হয়। এছাড়া বাকি ৩৫ জনকে ৫ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের আট জেলার নির্বাচিত ৪০ নারী ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুধীজন এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :