তুষারঝড়ে নাজেহাল আমেরিকার বিস্তীর্ণ অংশ। বিশষ করে উত্তর-পূর্ব আমেরিকার মেরিল্যান্ড থেকে মেইন— এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তুষারঝড়ের তাণ্ডব চলছে। বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে না বার হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। স্কুল, কলেজ বন্ধ। এমনকি পরিবহণ ব্যবস্থাও থমকে গিয়েছে।
আবহবিদেরা বলছেন, গত এক দশকের মধ্যে এ রকম ভয়াবহ এবং শক্তিশালী তুষারঝড় হয়নি আমেরিকায়। রাস্তাঘাট দু’ফুট বরফের নীচে চলে গিয়েছে। কোথাও কোথাও আবার তার থেকেও বেশি। ফলে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ। ভয়ানক এই প্রকৃতিক দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে কোনও কোনও অঞ্চলে। নিউ ইয়র্কের ছবিটাও ভয়াবহ। তুষারঝড় তো আছেই, তার সঙ্গে বাসিন্দাদের দুর্দশা বাড়িয়েছে বিদ্যুৎবিভ্রাট। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে বলে দাবি বাসিন্দাদের।
তুষারঝড় ধীরে ধীরে উত্তরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আমেরিকার ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস ঝড়ের গতিবিধির উপর নজর রাখছে। এই সপ্তাহের শেষের দিকে অতি প্রবল তুষারপাতের সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, সোমবার দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ‘সাইক্লোন বোমা’ আছড়ে পড়ে। তুষারঝড়ের কারণে বিমান পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফ্লাইটঅ্যওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১০ হাজার বিমান বাতিল হতে পারে। তার মধ্যে শুধু সোমবারই সাড়ে পাঁচ হাজার বিমান বাতিল হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। বেশির ভাগ বিমান বাতিল হয়েছে নিউ জার্সি, নিউ ইয়র্ক এবং বস্টনে। আড়াই হাজারেরও বেশি বিমান দেরিতে ওঠানামা করছে। রোড আইল্যান্ডের চিএফ গ্রিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রায় ৩৩ ইঞ্চি বরফে ঢেকে যায় সোমবার। রেল এবং সড়ক পরিষেবাও বেশ কয়েকটি প্রদেশে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া-সহ বেশ কয়েকটি শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাওয়ারআউটেজ ডট ইউএস-এর তথ্য বলছে, সাড়ে চার লক্ষ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
আবহবিদেরা বলছেন, গত এক দশকের মধ্যে এ রকম ভয়াবহ এবং শক্তিশালী তুষারঝড় হয়নি আমেরিকায়। রাস্তাঘাট দু’ফুট বরফের নীচে চলে গিয়েছে। কোথাও কোথাও আবার তার থেকেও বেশি। ফলে যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ধ। ভয়ানক এই প্রকৃতিক দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে কোনও কোনও অঞ্চলে। নিউ ইয়র্কের ছবিটাও ভয়াবহ। তুষারঝড় তো আছেই, তার সঙ্গে বাসিন্দাদের দুর্দশা বাড়িয়েছে বিদ্যুৎবিভ্রাট। বহু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে বলে দাবি বাসিন্দাদের।
তুষারঝড় ধীরে ধীরে উত্তরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আমেরিকার ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস ঝড়ের গতিবিধির উপর নজর রাখছে। এই সপ্তাহের শেষের দিকে অতি প্রবল তুষারপাতের সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, সোমবার দেশের উত্তর-পূর্ব উপকূলে ‘সাইক্লোন বোমা’ আছড়ে পড়ে। তুষারঝড়ের কারণে বিমান পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফ্লাইটঅ্যওয়ার-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ১০ হাজার বিমান বাতিল হতে পারে। তার মধ্যে শুধু সোমবারই সাড়ে পাঁচ হাজার বিমান বাতিল হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। বেশির ভাগ বিমান বাতিল হয়েছে নিউ জার্সি, নিউ ইয়র্ক এবং বস্টনে। আড়াই হাজারেরও বেশি বিমান দেরিতে ওঠানামা করছে। রোড আইল্যান্ডের চিএফ গ্রিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রায় ৩৩ ইঞ্চি বরফে ঢেকে যায় সোমবার। রেল এবং সড়ক পরিষেবাও বেশ কয়েকটি প্রদেশে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া-সহ বেশ কয়েকটি শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাওয়ারআউটেজ ডট ইউএস-এর তথ্য বলছে, সাড়ে চার লক্ষ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক