ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্যদের খেলাপি ঋণ ৩ হাজার ৩৩০ কোটি: অর্থমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খোলা নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান, অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় স্টাইল ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন মিম নামাজে নিয়মিত হওয়ার ৩ উপায় শিক্ষকদের উৎসব ভাতা নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর ট্রাম্পের ‘মানসিক ভারসাম্য’ নিয়ে প্রশ্ন মার্কিন রাজনীতিতে অরক্ষিত সেচ পাম্পে বোরখা পেঁচিয়ে নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু এক সাধারণ অভ্যাসই বাড়িয়ে দিতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি নাটোরে বাসের চাপায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু একনেকে উত্থাপিত অধিকাংশ প্রকল্পই অপ্রয়োজনীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া: অর্থমন্ত্রী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫ নগরীতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ মাদক কারবারী গ্রেপ্তার ভারত যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা রাশমিকা মান্দানার জন্মদিনে বিশেষ চমক রাণীনগরে মাদকের আসরে ভ্রাম্যমান আদালতের হানা, যুবকের কারাদন্ড গরমের মরসুমে সব্জি টবেই ফলাতে পারেন মাটি কাটায় প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতার ওপর হামলা, থানায় মামলা কলকাতায় পা রাখলেন সানি লিওনি! মদ্যপান করলেও শরীরের ক্ষতি হবে না! টিপস দিলেন খোদ চিকিৎসক

রাসিকের প্রশাসক হিসেবে বুলবুলকে চায় নগরবাসী

  • আপলোড সময় : ২৪-০২-২০২৬ ১২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৪-০২-২০২৬ ১২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন
রাসিকের প্রশাসক হিসেবে বুলবুলকে চায় নগরবাসী রাসিকের প্রশাসক হিসেবে বুলবুলকে চায় নগরবাসী
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) সাবেক মেয়র অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নেতৃত্ব ও বিএনপির পরিক্ষিত নেতা মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে প্রশাসক হিসেবে দেখতে চান নগরবাসী। নগরবাসীর দাবি, বুলবুলের নগর পিতার অতীত অভিজ্ঞতা ও নগর উন্নয়নে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে রাজশাহীর চলমান ও অসমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পগুলো গতি পাবে।বুলবুলকে তারা প্রশাসক হিসেবে দেখতে চাই।

জানা যায়, ২০০৮ সালে তিনি প্রথমবার রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নেন। সে সময় তিনি যুবদলের সভাপতি ছিলেন। দলীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধ এবং সাধারণ মানুষের সমর্থনে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হন। তবে ওই সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রতিকূল থাকায় প্রথম সারির অনেক নেতাই বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। তার সমর্থকদের অভিযোগ, নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে সে নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। তবুও আন্দোলন-সংগ্রাম ও দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি নগরবাসীর পাশে থেকে তাদের কাছে তিনি এখানো সমান জনপ্রিয় রয়েছেন।

এদিকে পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেদিন নগরজুড়ে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ফলাফলে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি আধুনিক রাজশাহীর রূপকার হিসেবে পরিচিত সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুর সময়ে শুরু হওয়া অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তার সময় নগর অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক সংস্কার ও সম্প্রসারণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারকরণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে একাধিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়। অনেক নাগরিকের মতে, ওই সময়ে নগর ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে।

কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে পূর্ণ মেয়াদকাল দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে তার সমর্থকদের অভিযোগ। বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৫ সালের ২ মার্চ তার বাসভবনে পুলিশের অভিযান এবং পরিবারের সদস্যদের আহত ও আটক করার ঘটনাও তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

নগরীর পাঠানপাড়া মহল্লার মিলন আলী বলেন,বুলবুল ভাই একজন কর্মী-জনবান্ধব নেতা।তিনি সব সময় নেতাকর্মীদের পাশে থাকেন,তিনি বলেন,তারা প্রশাসক হিসেবে বুলবুল ভাইকে চাই।

নগরীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুমন আলী বলেন,“বুলবুল ভাই দলের আদর্শিক ও পরিক্ষীত নেতা। দলের বিপদে তিনি আমাদের পাশে ছিলেন। তিনি যখন মেয়র ছিলেন তখন রাজশাহীর অনেক উন্নয়ন কাজ হয়েছিল। রাজশাহী নগরীর উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশনের চেয়ারে বুলবুল ভাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমরা বুলবুল ভাইকেই দেখতে চাই। একই কথা জানান নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আজাহার আলী। তিনি বলেন,“রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমরা বুলবুল ভাইকে দেখতে চায়। তার কারণ হলো, বুলবুল ভাই যোগ্য নেতা। তিনি মেয়র থাকাকালীন রাজশাহী সিটির অনেক উন্নয়ন করেছেন। বুলবুল ভাইয়ের উপরে আমাদের আস্থা রয়েছে। তিনি প্রশাসক হলে রাজশাহীর উন্নয়ন করবেন।”

নগরবাসীর একাংশ মনে করছেন, তাকে প্রশাসক বা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে অতীতে শুরু হওয়া উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো পুনরায় গতিশীল হবে এবং রাজশাহী নগরী তার কাঙ্খিত উন্নয়নের ধারায় ফিরবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন,“আমি জনগণের রাজনীতি করি। আমি জনগণেরই সেবক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি মনে করেন আমি যোগ্য তাহলে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হবে আমি সে দায়িত্ব পালন করতে প্রস্তুত।”

রাজনীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন রাজশাহীর উন্নয়নে অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি এই নগরীর কাঙ্খিত উন্নয়নে অগ্রগতি আনতে পারবেন। তবে রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতে কী ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং পাশাপাশি দলীয় হাইকমান্ড কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেইদিকে তাকিয়ে রাজশাহী নগরবাসী।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

সর্বশেষ সংবাদ
নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫

নগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৫