ভোলার তজুমদ্দিনে কীর্তন শুনে বাড়ি ফেরার পথে এক প্রতিবন্ধী নারী (২৬) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। সোমবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে পার্শ্ববর্তী দাসপাড়া এলাকা থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ধর্ষণের পর এক বাগানে ওই নারীকে ফেলে যায় ধর্ষকরা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, স্বামী পরিত্যক্তা ওই নারী কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী। রোববার রাতে তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের অনিল সাধুর আশ্রমে কীর্তন শুনতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক রাকিব, রাসেল ও শাকিল নামে তিন যুবককে অভিযুক্ত করা হলেও তাদের পুরো পরিচয় জানা যায়নি।
স্বজনরা জানান, কয়েক মাস আগে স্বামীর সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি।
এ দিকে সোমবার সকালে দাসপাড়ার নেপাল কবিরাজের বাড়ির সামনে থেকে প্রায় অচেতন অবস্থায় এলাকাবাসী ওই নারীকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুরে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় দায়ীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা জানিয়েছেন ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শামসুল আলম।
এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। আইনগত বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ধর্ষণের পর এক বাগানে ওই নারীকে ফেলে যায় ধর্ষকরা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, স্বামী পরিত্যক্তা ওই নারী কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী। রোববার রাতে তজুমদ্দিন উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের অনিল সাধুর আশ্রমে কীর্তন শুনতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে তিন যুবক তাকে তুলে নিয়ে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক রাকিব, রাসেল ও শাকিল নামে তিন যুবককে অভিযুক্ত করা হলেও তাদের পুরো পরিচয় জানা যায়নি।
স্বজনরা জানান, কয়েক মাস আগে স্বামীর সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি।
এ দিকে সোমবার সকালে দাসপাড়ার নেপাল কবিরাজের বাড়ির সামনে থেকে প্রায় অচেতন অবস্থায় এলাকাবাসী ওই নারীকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দুপুরে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় দায়ীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজনরা।
এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা জানিয়েছেন ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শামসুল আলম।
এ বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে যায় পুলিশ। আইনগত বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক