ফল খাওয়া স্বাস্থ্যকর, এটা তো আমরা সবাই জানি। কিন্তু সেই ফলের উপকারিতা আরও বাড়ানো যায় খুব সহজ এক উপায়ে। খাওয়ার আগে সামান্য দারচিনির গুঁড়ো ছড়ালেই কেল্লাফতে! শুনতে সাধারণ মনে হলেও, এর পিছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে নানারকম খাবারের পুষ্টিগুণের কথা শেয়ার করে থাকেন। সম্প্রতি তেমনই একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ফলের সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মেশানো মানে তা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও নানা দিক থেকে উপকারী।
তাঁর এই বক্তব্যের পিছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দিয়ে তিনি বলেন, “ফল আসলে সহজ ধরনের সুগার। তাই অনেক সময় ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু তার সঙ্গে সামান্য দারচিনি যোগ করলে সেই সুগার স্পাইক অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।”
দারচিনি শরীরে গ্লুকোজ শোষণের প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে। পাশাপাশি এতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হজমশক্তিও বাড়াতে সাহায্য করে।
১. হার্টের জন্য উপকারী: বিজ্ঞানসম্মত নানা তথ্য অনুযায়ী, দারচিনি খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
২. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট: দারচিনিতে প্রচুর পলিফেনল থাকে, যা শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এর আরেকটি উপাদান সিনামালডিহাইড প্রদাহ কমাতেও কার্যকর।
৩. বাড়তি চিনি ছাড়াই মিষ্টি স্বাদের বিকল্প: আপেল, কলা বা বেরির মতো ফলে দারচিনি দিলে স্বাদ আরও মিষ্টি লাগে, কিন্তু এতে বাড়তি ক্যালোরি যোগ হয় না। উল্টে চিনির মতো উপাদানের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকেও দূরে থাকা সম্ভব।
৪. হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: দারচিনি হজমে সহায়ক এনজাইমের ক্ষরণ বাড়ায়, ফলে গ্যাস, অম্বল বা পেট ফাঁপার সমস্যা কমতে পারে। এছাড়া এতে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা অন্ত্রে ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদের পরামর্শ, “পরের বার ফল খাওয়ার সময় কী সঙ্গে খাচ্ছেন, সেটাও ভাবুন।” অর্থাৎ, ফলের উপর এক চিমটে দারচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে নেওয়ার মতো ছোট্ট একটি অভ্যাস আপনার ডায়েটকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।
পুষ্টিবিদ দীপশিখা জৈন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে নানারকম খাবারের পুষ্টিগুণের কথা শেয়ার করে থাকেন। সম্প্রতি তেমনই একটি পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ফলের সঙ্গে দারচিনির গুঁড়ো মেশানো মানে তা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও নানা দিক থেকে উপকারী।
তাঁর এই বক্তব্যের পিছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখা দিয়ে তিনি বলেন, “ফল আসলে সহজ ধরনের সুগার। তাই অনেক সময় ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু তার সঙ্গে সামান্য দারচিনি যোগ করলে সেই সুগার স্পাইক অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।”
দারচিনি শরীরে গ্লুকোজ শোষণের প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে। পাশাপাশি এতে থাকা পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হজমশক্তিও বাড়াতে সাহায্য করে।
১. হার্টের জন্য উপকারী: বিজ্ঞানসম্মত নানা তথ্য অনুযায়ী, দারচিনি খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
২. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট: দারচিনিতে প্রচুর পলিফেনল থাকে, যা শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এর আরেকটি উপাদান সিনামালডিহাইড প্রদাহ কমাতেও কার্যকর।
৩. বাড়তি চিনি ছাড়াই মিষ্টি স্বাদের বিকল্প: আপেল, কলা বা বেরির মতো ফলে দারচিনি দিলে স্বাদ আরও মিষ্টি লাগে, কিন্তু এতে বাড়তি ক্যালোরি যোগ হয় না। উল্টে চিনির মতো উপাদানের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকেও দূরে থাকা সম্ভব।
৪. হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: দারচিনি হজমে সহায়ক এনজাইমের ক্ষরণ বাড়ায়, ফলে গ্যাস, অম্বল বা পেট ফাঁপার সমস্যা কমতে পারে। এছাড়া এতে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা অন্ত্রে ক্ষতিকর জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদের পরামর্শ, “পরের বার ফল খাওয়ার সময় কী সঙ্গে খাচ্ছেন, সেটাও ভাবুন।” অর্থাৎ, ফলের উপর এক চিমটে দারচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে নেওয়ার মতো ছোট্ট একটি অভ্যাস আপনার ডায়েটকে আরও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।
ফারহানা জেরিন