নেপালের পাহাড়ি রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে গিয়ে পড়ল বাস। রবিবার বেশি রাতের দিকে পোখরা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, বাসটিতে ৩৫ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। রবিবার রাতে পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বাসটি। পৃথ্বী মহাসড়ক ধরে যাওয়ার সময়ে রাত ১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ধাদিং জেলার বেণীঘাট রোরাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গজুরি নদীতে উল্টে পরে বাস।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে। পাহাড়ি রাস্তা থেকে খাদে পড়ে যায় গাড়িটি। ধাদিং জেলার ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নদীতে বাস উল্টে পড়ার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধার কাজে হাত লাগান। পরে স্থানীয় পুলিশ, পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী এবং নেপালি সেনাও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। কিন্তু রাতের অন্ধকারে উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয় বাহিনীকে। নেপালের হাইওয়ে রেসকিউ ম্যানেজমেন্ট কমিটির প্রধান রাজকুমার ঠাকুরি জানান, এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সরকারি ভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে একটি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে বেশ কয়েক জন বিদেশিও ছিলেন। তাঁদের মধ্যে নিউ জ়িল্যান্ডের এক পুরুষ যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আহতদের মধ্যেও জাপান এবং নেদারল্যান্ডসের দুই মহিলা রয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।
কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। দ্রুত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, বাসটিতে ৩৫ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন। রবিবার রাতে পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বাসটি। পৃথ্বী মহাসড়ক ধরে যাওয়ার সময়ে রাত ১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ধাদিং জেলার বেণীঘাট রোরাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গজুরি নদীতে উল্টে পরে বাস।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে। পাহাড়ি রাস্তা থেকে খাদে পড়ে যায় গাড়িটি। ধাদিং জেলার ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানান, দুর্ঘটনাস্থলেই ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নদীতে বাস উল্টে পড়ার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে উদ্ধার কাজে হাত লাগান। পরে স্থানীয় পুলিশ, পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী এবং নেপালি সেনাও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। কিন্তু রাতের অন্ধকারে উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয় বাহিনীকে। নেপালের হাইওয়ে রেসকিউ ম্যানেজমেন্ট কমিটির প্রধান রাজকুমার ঠাকুরি জানান, এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সরকারি ভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে একটি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে বেশ কয়েক জন বিদেশিও ছিলেন। তাঁদের মধ্যে নিউ জ়িল্যান্ডের এক পুরুষ যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আহতদের মধ্যেও জাপান এবং নেদারল্যান্ডসের দুই মহিলা রয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।
কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। দ্রুত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক