রোজার গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো রোজা। ইবাদতের মধ্যে রোজাকে আল্লাহ তায়ালা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন। কারণ, এই বিশেষ ইবাদত কেবল আল্লাহ তায়ালার জন্যই; এতে লোক দেখানো বা রিয়ার সুযোগ থাকে না। আমাদের উচিত এই মহিমান্বিত আমলকে যথাসাধ্য পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় করা এবং এটি ভঙ্গ হওয়া বা দুর্বল হওয়ার কারণসমূহ থেকে বিরত থাকা।
ধূমপানে অভ্যস্ত অনেক ভাইদের মনে প্রশ্ন জাগে ধূমপান করলে কি রোজা ভেঙে যাবে? তারা মনে করেন, এটি তো শুধুই ধোঁয়া, যা মুখে নিয়ে বের করে দেওয়া হয় এবং এটি ক্ষুধা মেটানোর কাজেও আসে না।
এর উত্তরে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম বলেন, রোজা রেখে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে যেমন রোজা ভেঙে যায়, ঠিক তেমনিভাবে বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট বা হুক্কা খাওয়ার মাধ্যমেও রোজা ভেঙে যাবে।
পাশাপাশি কয়েল, ধূপ কিংবা অন্য যে কোনো কিছুর ধোঁয়া ইচ্ছাকৃতভাবে নাক বা মুখ দিয়ে শরীরের ভেতর টেনে নিলেও রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। এর ফলে কাজা, কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ২/৩৯৫, হাশিয়াতুত তহাবী: ১/৪৫০, ইমদাদুল ফাত্তাহ: ৬৮১)
তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে বিড়ি, সিগারেটসহ কোনো কিছুর ধোঁয়া নাকে-মুখে ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, কারো গলায় (অনিচ্ছায়) মাছি ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা: ৯৮৮৬)
রোজা ভাঙার একটি মূলনীতি হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ হয়, বের হওয়ার মাধ্যমে নয়। (ইমাম বুখারি রহ. তাঁর সহিহ বুখারির এক শিরোনামে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা.-এর এই অভিমতটি ব্যবহার করেছেন, যা হাদিসের পরিভাষায় ‘আসার’ নামে পরিচিত।)
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। এটি ধূমপায়ী এবং তার চারপাশের মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করে। চিকিৎসা শাস্ত্রের পরিভাষায় বলা হয়, ধূমপান প্রকারান্তরে আত্মহত্যার শামিল।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা জীবননাশকারী বিষয় থেকে বেঁচে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না। (সুরা বাকারা: ১৯৫) সুতরাং রমজান মাসসহ সারা বছরই এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে বিরত থাকা উচিত।
ধূমপানে অভ্যস্ত অনেক ভাইদের মনে প্রশ্ন জাগে ধূমপান করলে কি রোজা ভেঙে যাবে? তারা মনে করেন, এটি তো শুধুই ধোঁয়া, যা মুখে নিয়ে বের করে দেওয়া হয় এবং এটি ক্ষুধা মেটানোর কাজেও আসে না।
এর উত্তরে বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম বলেন, রোজা রেখে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে যেমন রোজা ভেঙে যায়, ঠিক তেমনিভাবে বিড়ি, সিগারেট, ই-সিগারেট বা হুক্কা খাওয়ার মাধ্যমেও রোজা ভেঙে যাবে।
পাশাপাশি কয়েল, ধূপ কিংবা অন্য যে কোনো কিছুর ধোঁয়া ইচ্ছাকৃতভাবে নাক বা মুখ দিয়ে শরীরের ভেতর টেনে নিলেও রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। এর ফলে কাজা, কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে। (আদ্দুররুল মুখতার: ২/৩৯৫, হাশিয়াতুত তহাবী: ১/৪৫০, ইমদাদুল ফাত্তাহ: ৬৮১)
তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে বিড়ি, সিগারেটসহ কোনো কিছুর ধোঁয়া নাকে-মুখে ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, কারো গলায় (অনিচ্ছায়) মাছি ঢুকে গেলে রোজা ভাঙবে না। (মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা: ৯৮৮৬)
রোজা ভাঙার একটি মূলনীতি হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশের মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ হয়, বের হওয়ার মাধ্যমে নয়। (ইমাম বুখারি রহ. তাঁর সহিহ বুখারির এক শিরোনামে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা.-এর এই অভিমতটি ব্যবহার করেছেন, যা হাদিসের পরিভাষায় ‘আসার’ নামে পরিচিত।)
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর। এটি ধূমপায়ী এবং তার চারপাশের মানুষের মারাত্মক ক্ষতি করে। চিকিৎসা শাস্ত্রের পরিভাষায় বলা হয়, ধূমপান প্রকারান্তরে আত্মহত্যার শামিল।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা জীবননাশকারী বিষয় থেকে বেঁচে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না। (সুরা বাকারা: ১৯৫) সুতরাং রমজান মাসসহ সারা বছরই এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে বিরত থাকা উচিত।
ধর্ম ডেস্ক