রাজশাহী নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চবটি শ্মশান-ঘাট এলাকায় নেশার টাকার জেরে পারিবারিক বিরোধ থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনায় অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাগর নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বাবা মো. বাদশার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তর্ক চরমে পৌঁছালে সাগর উত্তেজিত হয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। আহত মো. বাদশা পেশায় একজন ড্রাইভার।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাচাতো ভাই মুন্না (২৬) ও তার বাবা মধু (৫৫) এগিয়ে এলে সাগর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে কিছুক্ষণ পর বাধন, আলিপ ও সাব্বিরসহ আরও ৬-৭ জন সহযোগীকে নিয়ে সে পুনরায় ঘটনাস্থলে ফিরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তারা মুন্না ও মধুর ওপর দেশীয় অস্ত্র ও হাসুয়া দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। এতে মুন্না ও মধু গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগকারী মুন্না জানান, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনায় অন্তত তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নেশার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাগর নামের এক যুবকের সঙ্গে তার বাবা মো. বাদশার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তর্ক চরমে পৌঁছালে সাগর উত্তেজিত হয়ে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। আহত মো. বাদশা পেশায় একজন ড্রাইভার।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাচাতো ভাই মুন্না (২৬) ও তার বাবা মধু (৫৫) এগিয়ে এলে সাগর ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে কিছুক্ষণ পর বাধন, আলিপ ও সাব্বিরসহ আরও ৬-৭ জন সহযোগীকে নিয়ে সে পুনরায় ঘটনাস্থলে ফিরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তারা মুন্না ও মধুর ওপর দেশীয় অস্ত্র ও হাসুয়া দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। এতে মুন্না ও মধু গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগকারী মুন্না জানান, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক