রাজশাহীতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, রাজনৈতিক তদবির বা চাপ যাই থাকুক না কেন, সব কাজ আইনের মধ্য দিয়েই করতে হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এবং কর্মকর্তারা যেন সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন, এ আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় বিভিন্ন পর্যায় থেকে তদবির আসে, এতে কর্মকর্তারা অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন। কিন্তু আপনারা কাউকে ‘বস’ মনে করবেন না—আপনারা আমার সহকর্মী। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য। তিনি রমজানকে সামনে রেখে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার চায় বাংলাদেশ দ্রুত যুগোপযোগী ও আধুনিক ব্যবস্থায় এগিয়ে যাক। রাজশাহী মহানগর, জেলা ও বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।
গত এক বছরে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো খুবই গতিশীলভাবে কাজ করছে। তবে ভূমি মন্ত্রণালয় ঘিরে যে অনিয়ম ও দুর্নামের কথা শোনা যায়, তা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এসব অনিয়ম রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বদলির মতো প্রশাসনিক বিষয়েও কর্মকর্তাদের অযথা বিচলিত না হওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতের ভুলভ্রান্তি ভুলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যারা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে; আর যারা সততার সঙ্গে কাজ করেছেন, তারা আরও সুসংগঠিত হয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
নিজের বক্তব্যে তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) প্রতিষ্ঠায় নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। মেয়র থাকাকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ঢাকার ডিএমপি ও চট্টগ্রামের সিএমপির আদলে আরএমপি গঠনের প্রস্তাব দেন বলে জানান তিনি। রাজশাহীকে দ্রুত ‘শান্তির নগরী’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
সততা ও নিষ্ঠার ক্ষেত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অনুসরণ করেন বলে উল্লেখ করে তাঁর দেশপ্রেম ও দক্ষতার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় বিভিন্ন পর্যায় থেকে তদবির আসে, এতে কর্মকর্তারা অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েন। কিন্তু আপনারা কাউকে ‘বস’ মনে করবেন না—আপনারা আমার সহকর্মী। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য। তিনি রমজানকে সামনে রেখে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনদুর্ভোগ এড়াতে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার চায় বাংলাদেশ দ্রুত যুগোপযোগী ও আধুনিক ব্যবস্থায় এগিয়ে যাক। রাজশাহী মহানগর, জেলা ও বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।
গত এক বছরে বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলো খুবই গতিশীলভাবে কাজ করছে। তবে ভূমি মন্ত্রণালয় ঘিরে যে অনিয়ম ও দুর্নামের কথা শোনা যায়, তা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এসব অনিয়ম রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বদলির মতো প্রশাসনিক বিষয়েও কর্মকর্তাদের অযথা বিচলিত না হওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অতীতের ভুলভ্রান্তি ভুলে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যারা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে; আর যারা সততার সঙ্গে কাজ করেছেন, তারা আরও সুসংগঠিত হয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
নিজের বক্তব্যে তিনি রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) প্রতিষ্ঠায় নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। মেয়র থাকাকালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ঢাকার ডিএমপি ও চট্টগ্রামের সিএমপির আদলে আরএমপি গঠনের প্রস্তাব দেন বলে জানান তিনি। রাজশাহীকে দ্রুত ‘শান্তির নগরী’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
সততা ও নিষ্ঠার ক্ষেত্রে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে অনুসরণ করেন বলে উল্লেখ করে তাঁর দেশপ্রেম ও দক্ষতার প্রশংসা করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :