জামালপুর ও শেরপুর জেলার সংযোগকারী ব্রহ্মপুত্র ব্রিজে পুলিশের সিগন্যালে মোটরসাইকেল থামানোর পর ট্রাকচাপায় বাবা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ঘাতক ট্রাকটিকে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া এবং চরম অবহেলার গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রহ্মপুত্র ব্রিজের টোল প্লাজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, টোল প্লাজা এলাকায় তিনজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা একটি ট্রাক ও ওই মোটরসাইকেলটিকে সিগন্যাল দিয়ে দাঁড় করান। এ সময় পাশ দিয়ে আসা আরেকটি দ্রুতগামী ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার পর আহত শিশুটিকে উদ্ধারের বদলে পুলিশ সদস্যরা উল্টো ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি শিশুটিকে উদ্ধার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে পাঠান। শুধু তাই নয়, দুর্ঘটনা ঘটানো ট্রাকটিকে না আটকে পুলিশ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর দেওয়ার আড়াই ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে পুলিশের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বরত ওই তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয়রা এই দাবিকে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নিজেদের দোষ ঢাকতেই পুলিশ এই মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রহ্মপুত্র ব্রিজের টোল প্লাজা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, টোল প্লাজা এলাকায় তিনজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারা একটি ট্রাক ও ওই মোটরসাইকেলটিকে সিগন্যাল দিয়ে দাঁড় করান। এ সময় পাশ দিয়ে আসা আরেকটি দ্রুতগামী ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার পর আহত শিশুটিকে উদ্ধারের বদলে পুলিশ সদস্যরা উল্টো ভিডিও ধারণ করছিলেন। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি শিশুটিকে উদ্ধার করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে পাঠান। শুধু তাই নয়, দুর্ঘটনা ঘটানো ট্রাকটিকে না আটকে পুলিশ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শীদের।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর দেওয়ার আড়াই ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে পুলিশের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বরত ওই তিন পুলিশ সদস্য অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে দাবি করেন। তবে স্থানীয়রা এই দাবিকে সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, নিজেদের দোষ ঢাকতেই পুলিশ এই মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
অনলাইন ডেস্ক