পবিত্র রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর রৌহা গ্রামের জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। পুরো রমজানজুড়ে খামারটির উৎপাদিত দুধ মাত্র ১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে ১০ টাকায় দুধ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বিনামূল্যেও পেয়েছেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পাঁচ বছর আগে এলাকায় গড়ে ওঠে জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। বর্তমানে খামারে দুগ্ধ ও মোটাতাজাকরণ মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ গরু রয়েছে। এরমধ্যে ১৮টি গরু নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। প্রতিদিন খামার থেকে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় দরিদ্র পরিবারের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিয়ামতপুর ইউনিয়নের হাতকাজলা গ্রামের বাসিন্দা কামাল ও শ্রমিক জাফর ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, রমজানে ১২০ টাকা লিটার দুধ কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ১০ টাকায় দুধ পাওয়ায় আমরা সেহরিতে তা ব্যবহার করতে পারছি।
বয়রা মধ্যপাড়া গ্রামের সবুজা ও রেবেকা খাতুন জানান, রমজানের প্রথম দিন থেকেই তারা ১০ টাকা দরে এক লিটার দুধ পেয়েছেন। প্রতিদিন এভাবে দুধ পেলে তাদের মতো অসচ্ছল পরিবারের জন্য তা বড় সহায়তা হবে।
জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুসাইন মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রমজানে দুধের চাহিদা বাড়ে। বাজারে দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করেই নামমাত্র ১০ টাকায় দুধ দিচ্ছি। প্রথম দিন ৯০ জনকে দেওয়া হয়েছে। রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
রমজানের শুরুতেই এমন উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সময়ে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। অনেকে ১০ টাকায় দুধ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বিনামূল্যেও পেয়েছেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পাঁচ বছর আগে এলাকায় গড়ে ওঠে জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। বর্তমানে খামারে দুগ্ধ ও মোটাতাজাকরণ মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ গরু রয়েছে। এরমধ্যে ১৮টি গরু নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। প্রতিদিন খামার থেকে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় দরিদ্র পরিবারের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিয়ামতপুর ইউনিয়নের হাতকাজলা গ্রামের বাসিন্দা কামাল ও শ্রমিক জাফর ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, রমজানে ১২০ টাকা লিটার দুধ কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ১০ টাকায় দুধ পাওয়ায় আমরা সেহরিতে তা ব্যবহার করতে পারছি।
বয়রা মধ্যপাড়া গ্রামের সবুজা ও রেবেকা খাতুন জানান, রমজানের প্রথম দিন থেকেই তারা ১০ টাকা দরে এক লিটার দুধ পেয়েছেন। প্রতিদিন এভাবে দুধ পেলে তাদের মতো অসচ্ছল পরিবারের জন্য তা বড় সহায়তা হবে।
জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুসাইন মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রমজানে দুধের চাহিদা বাড়ে। বাজারে দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করেই নামমাত্র ১০ টাকায় দুধ দিচ্ছি। প্রথম দিন ৯০ জনকে দেওয়া হয়েছে। রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
রমজানের শুরুতেই এমন উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয়দের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির সময়ে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে।
অনলাইন ডেস্ক