চট্টগ্রাম মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে চার মামলার আসামি ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম ও তার সহযোগী আবুল কালাম আজাদকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-৭ জানায়, বিকাল পৌনে ৬টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার আরেফিন নগর বায়েজিদ লিংক রোড এলাকার একটি বহুতল ভবনে আভিযানিক দল অভিযান চালায়। এ সময় ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৮), তিনি মোঃ ইসহাক মিয়া, সাং-মুরাদপুর এবং তার সহযোগী আবুল কালাম আজাদ (৬২), পিতা—নুরুল ইসলাম, সাং-বিবিরহাট, উভয় থানা-পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তিনি আলোচিত সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলার সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ-এর জনসংযোগ চলাকালে সশস্ত্র হামলায় সরোয়ার বাবলা নিহত হন।
র্যাব আরও জানায়, ইমতিয়াজ দীর্ঘ সময় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করে বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ইন্টারনেট কল (হোয়াটসঅ্যাপ/মেসেঞ্জার) ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। তিনি ‘রিচ কিডস’ নামের একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচয় গোপন রেখে তিনি নিয়মিত দেশে আসা-যাওয়া করতেন বলেও জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার আবুল কালাম আজাদকে ইমতিয়াজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে র্যাব জানায়, তিনি চাঁদার টাকা উত্তোলন এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালকের দায়িত্ব পালন করতেন।
সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নাশকতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বায়েজিদ বোস্তামি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-৭ জানায়, বিকাল পৌনে ৬টায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার আরেফিন নগর বায়েজিদ লিংক রোড এলাকার একটি বহুতল ভবনে আভিযানিক দল অভিযান চালায়। এ সময় ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৮), তিনি মোঃ ইসহাক মিয়া, সাং-মুরাদপুর এবং তার সহযোগী আবুল কালাম আজাদ (৬২), পিতা—নুরুল ইসলাম, সাং-বিবিরহাট, উভয় থানা-পাঁচলাইশ, জেলা-চট্টগ্রামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি বিদেশি পিস্তল ও ৫৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তিনি আলোচিত সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলা হত্যা মামলার সঙ্গেও সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ-এর জনসংযোগ চলাকালে সশস্ত্র হামলায় সরোয়ার বাবলা নিহত হন।
র্যাব আরও জানায়, ইমতিয়াজ দীর্ঘ সময় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করে বায়েজিদ বোস্তামী, অক্সিজেন ও মুরাদপুর এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ইন্টারনেট কল (হোয়াটসঅ্যাপ/মেসেঞ্জার) ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। তিনি ‘রিচ কিডস’ নামের একটি কিশোর গ্যাং পরিচালনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিচয় গোপন রেখে তিনি নিয়মিত দেশে আসা-যাওয়া করতেন বলেও জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার আবুল কালাম আজাদকে ইমতিয়াজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে র্যাব জানায়, তিনি চাঁদার টাকা উত্তোলন এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালকের দায়িত্ব পালন করতেন।
সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন থানায় অস্ত্র, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নাশকতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক