ভোলার লালমোহনে ৮ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নাঈম (২৮) নামে স্থানীয় এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের কর্তারহাট বাজার সংলগ্ন একটি বাগানে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নাঈম ওই এলাকার হেলাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশু মাহিশা ও তার খেলার সাথী জিহাদ বাড়ির পাশের বাগানে লাকড়ি কুড়াতে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষক নাঈম চকলেট ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে জিহাদকে একদিকে বসিয়ে রেখে মাহিশাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। শিশুর চিৎকার শুনে জিহাদ এগিয়ে এলে নাঈম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্তের পরিবার শিশুটিকে তাদের আত্মীয়ের মালিকানাধীন ‘ফার্স্ট কেয়ার হাসপাতাল’ নামক একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং তার ক্ষতস্থানে সেলাই দিতে হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তের পরিবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য শিশুটির পরিবারকে চাপ দিচ্ছে।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবার হাসপাতালে থাকায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শিশুটির বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত আছেন এবং সুস্থ হওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে শিশু মাহিশা ও তার খেলার সাথী জিহাদ বাড়ির পাশের বাগানে লাকড়ি কুড়াতে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষক নাঈম চকলেট ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে জিহাদকে একদিকে বসিয়ে রেখে মাহিশাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে। শিশুর চিৎকার শুনে জিহাদ এগিয়ে এলে নাঈম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্তের পরিবার শিশুটিকে তাদের আত্মীয়ের মালিকানাধীন ‘ফার্স্ট কেয়ার হাসপাতাল’ নামক একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং তার ক্ষতস্থানে সেলাই দিতে হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তের পরিবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য শিশুটির পরিবারকে চাপ দিচ্ছে।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী পরিবার হাসপাতালে থাকায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শিশুটির বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত আছেন এবং সুস্থ হওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অনলাইন ডেস্ক