খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে বড় ছেলেকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রূপসা সেতুর পশ্চিম পাশের ঢালে এক ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম বাগেরহাট জেলার সরুই এলাকার ৩৮ খান জাহান আলী সড়কের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন চাকরিজীবী ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম সকালে তার বড় ছেলেকে খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দিতে যান। ছেলেকে ট্রেনে তুলে দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাগেরহাটের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। রূপসা সেতুর পশ্চিম ঢালে পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। খবর পেয়ে লবনচরা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ বিষয়ে লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকটি আমাদের হেফাজতে আছে। তবে ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে রূপসা সেতুর পশ্চিম পাশের ঢালে এক ঘাতক ট্রাকের ধাক্কায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম বাগেরহাট জেলার সরুই এলাকার ৩৮ খান জাহান আলী সড়কের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন চাকরিজীবী ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম সকালে তার বড় ছেলেকে খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দিতে যান। ছেলেকে ট্রেনে তুলে দিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাগেরহাটের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। রূপসা সেতুর পশ্চিম ঢালে পৌঁছালে একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। খবর পেয়ে লবনচরা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এ বিষয়ে লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকটি আমাদের হেফাজতে আছে। তবে ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক