পরকীয়া সম্পর্কের জেরে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভাতিন্ডা শহরে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাসি কৌরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই দিনে রাজধানী দিল্লির সুলতানপুরী এলাকায় পারিবারিক অশান্তির জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী অনিলকে আটক করা হয়েছে। দুটি ঘটনাতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ দিনের ব্যবধানে জাসি কৌরের আট বছরের মেয়ে সুখপ্রীত কৌর ও ছয় বছরের ছেলে ফতেবীরের মৃত্যু হয়। প্রথমে অসুস্থতা বলে দাবি করা হলেও পরপর দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় তদন্ত শুরু হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জাসি কৌর ভেঙে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোজ কুমার। তাঁর দাবি, খাবারের সঙ্গে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে দুই সন্তানকে খাইয়েছিলেন জাসি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারনা, প্রেমিকের সঙ্গে নতুন করে সংসার গড়তেই সন্তানদের পথের কাঁটা মনে করে এই পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।
পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় জাসির বোন মোটো কৌর এবং লখি সিং নামে আরও এক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। ইতিমধ্যে জাসি কৌর ও মোটো কৌরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লখি সিংয়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে, শনিবার দুপুরে সুলতানপুরীর পি-ব্লকের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই মহিলাকে উদ্ধার করে সঞ্জয় গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালএ নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মৃতার ৩৯ বছর বয়সী স্বামী অনিল, যিনি পেশায় গাড়িচালক। তাঁকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে অভিযোগ। মৃতার ১০ ও ১৩ বছর বয়সী দুই সন্তান পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে, সামান্য বচসার জেরেই তাদের বাবা মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন।
শিশুদের বয়ান ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অনিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক তদন্তকারী কর্মকর্তা।
দুটি পৃথক ঘটনায় নাবালকদের মৃত্যু ও গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ দিনের ব্যবধানে জাসি কৌরের আট বছরের মেয়ে সুখপ্রীত কৌর ও ছয় বছরের ছেলে ফতেবীরের মৃত্যু হয়। প্রথমে অসুস্থতা বলে দাবি করা হলেও পরপর দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় তদন্ত শুরু হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জাসি কৌর ভেঙে পড়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোজ কুমার। তাঁর দাবি, খাবারের সঙ্গে ইঁদুর মারার বিষ মিশিয়ে দুই সন্তানকে খাইয়েছিলেন জাসি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারনা, প্রেমিকের সঙ্গে নতুন করে সংসার গড়তেই সন্তানদের পথের কাঁটা মনে করে এই পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।
পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় জাসির বোন মোটো কৌর এবং লখি সিং নামে আরও এক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। ইতিমধ্যে জাসি কৌর ও মোটো কৌরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লখি সিংয়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে, শনিবার দুপুরে সুলতানপুরীর পি-ব্লকের একটি বাড়ি থেকে ২৫ বছর বয়সী এক গৃহবধূর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর গলায় ওড়না প্যাঁচানো ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ওই মহিলাকে উদ্ধার করে সঞ্জয় গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালএ নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মৃতার ৩৯ বছর বয়সী স্বামী অনিল, যিনি পেশায় গাড়িচালক। তাঁকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে অভিযোগ। মৃতার ১০ ও ১৩ বছর বয়সী দুই সন্তান পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে, সামান্য বচসার জেরেই তাদের বাবা মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন।
শিশুদের বয়ান ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অনিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক তদন্তকারী কর্মকর্তা।
দুটি পৃথক ঘটনায় নাবালকদের মৃত্যু ও গৃহবধূ হত্যার অভিযোগ ঘিরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মিজানুর রহমান টনি