ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬ , ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নগরীতে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী কাশিয়াডাঙ্গা থানায় গাঁজা সহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বিপিজেএ রাজশাহী শাখার নব-নির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ রুয়েটে ক্লাইমেট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত জয়া : পর্তুগালকে খুব ভালোবাসি কিন্তু সারাক্ষণ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল চিৎকার শুনতে হয় আমেরিকার বড় চমক: বি-২ বিমান থেকে এবার ‘স্টিথ’ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল উৎক্ষেপণ জার্মানির যে রেকর্ড স্পর্শ করল ব্রাজিল কেপ ভার্দে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কে জিতবে জানালেন ঘানার সেই তান্ত্রিক ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস চুরির অভিযোগে শিশুর মাথা ন্যাড়া করে নির্যাতন গফরগাঁওয়ে শিশুকে নিয়ে বিশ্রাম কক্ষে মসজিদের ইমাম দুই তরুণীর চুল কেটে দিল গ্রামবাসী ১৭১তম ঐতিহাসিক মহান সাঁওতাল দিবস বিদ্রোহ উপলক্ষে আলোচনা সভা নগরীর মতিহার ও পবায় নারীসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হিলিতে খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দায় ডুবে তিনজন নিখোঁজ গাছের পাতায় মিলল আধুনিক শহর তৈরির গোপন নকশা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা ‘রামমন্দির ট্রাস্টে কোনো মুসলিম থাকলে এতক্ষণে এনকাউন্টার করতো’

পাঁচ বছর আগেই কিডনির রোগ ধরা পড়বে একটিমাত্র পরীক্ষায়

  • আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০২:৪৩:০৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৬ ০২:৪৩:০৫ অপরাহ্ন
পাঁচ বছর আগেই কিডনির রোগ ধরা পড়বে একটিমাত্র পরীক্ষায় ফাইল ফটো
কিডনির রোগ নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। ক্রনিক কিডনি ডিজিজ এখন সবচেয়ে বেশি চিন্তার কারণ। দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও এই নিয়ে সতর্ক করেছে। জানা গিয়েছে, কিডনির রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন কমবয়সিরাই। কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা তো আছেই, পাশাপাশি কিডনিতে সংক্রমণ, পলিসিস্টিক কিডনির অসুখ এবং ফ্যাটি কিডনির লক্ষণও ধরা পড়ছে। তাই আগে থাকতেই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ডায়াবিটিস বা হার্টের রোগ যাঁদের আছে অথবা ঘন ঘন মূত্রনালির সংক্রমণে ভোগেন, তাঁরা গতানুগতিক কিছু পরীক্ষার পাশাপাশি একটি পরীক্ষা অবশ্যই করিয়ে রাখবেন। এই পরীক্ষাটি করানো থাকলে কিডনির রোগের ঝুঁকি আছে কি না, তা অনেক আগেই ধরা পড়বে।

কোন পরীক্ষাটি সবচেয়ে বেশি জরুরি?
কিডনির স্বাস্থ্য কেমন তা জানতে কিডনি ফাংশন টেস্টই বেশি করানো হয়। এই পরীক্ষাটির নামই বেশি পরিচিত। এতে ধরা পড়ে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা কতটা। ক্রিয়েটিনিন হল বিপাকক্রিয়া বা পেশির ক্ষয়ের কারণে তৈরি একরকম বর্জ্য পদার্থ যার মাত্রা বাড়লে কিডনি তা ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বার করে দেয়। তাই যদি ধরা পড়ে, রক্তে এর মাত্রা বাড়ছে তা হলে বুঝতে হবে কিডনি ক্রমশ অকেজো হতে শুরু করেছে। তবে কিডনি ফাংশন টেস্টের সীমাবদ্ধতা হল, এটি কেবল ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাই নির্ধারণ করতে পারে। আর ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেশি দেখানোর অর্থই হল, কিডনি ইতিমধ্যেই বিকল হতে শুরু করে দিয়েছে। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ক্রিয়েটিনিনের স্বাভাবিক পরিমাণ ০.৭ থেকে ১.৩ মিলিগ্রাম এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ০.৬ থেকে ১.১ মিলিগ্রাম। এর বেশি মানেই তা কিডনির ক্রনিক রোগের লক্ষণ।

তাই এর চেয়েও বেশি কার্যকরী পরীক্ষাটি হল ‘ইউরিন এসিআর’ বা ‘ইউরিন অ্যালবুমিন-ক্রিয়েটিনিন রেশিয়ো’। এটি প্রস্রাবের একরকম পরীক্ষা যা শুধু ক্রিয়েটিনিন নয়, কিডনি থেকে নির্গত প্রোটিন অ্যালবুমিনের মাত্রাও নির্ধারণ করে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা তখনই বিপদসীমা পেরিয়ে যায়, যখন কিডনির প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। তবে অ্যালবুমিন নির্গত হয় অনেক আগেই। কিডনির ছাঁকনি যখন সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখনই অ্যালবুমিন নির্গত হতে শুরু করে। এটি একধরনের প্রোটিন যার পরিমাণ দেখে বোঝা যায়, কিডনির ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে।

পরীক্ষাটি কী ভাবে করা হয়?
রোগীর প্রস্রাবের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করে তাতে অ্যালবুমিন ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রার অনুপাত দেখা হয়। সেটি যদি ৩০ এর কম হয়, তা হলে বুঝতে হবে কিডনি সুস্থ আছে। যদি ৩০ থেকে ৩০০-র মধ্যে হয়, তা হলে বুঝতে হবে সেটি কিডনির রোগের প্রাথমিক ধাপ। এই অবস্থাকে বলা হয় মাইক্রোঅ্যালবুমিনুরিয়া। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠা যাবে। কিন্তু যদি মাত্রা ৩০০-এর বেশি হয়, তা হলে বুঝবে হবে কিডনির বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। দেরি না করেই চিকিৎসা শুরু করে দিতে হবে। পরীক্ষাটির খরচ ৫০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নানা আয়োজনে রাজশাহীতে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন

নানা আয়োজনে রাজশাহীতে সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালন