রাজশাহী নগরীতে প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে মোস্তফা (৫০) নামে এক আলু কোল্ড স্টোরেজ শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে নগরীর মতিহার থানাধীন ডাসমারী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোস্তফা ওই এলাকার তইমুর আলী শেখের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আজাদ জানান, শনিবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মসজিদে যাচ্ছিলেন মোস্তফা। পথে কে বা কারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম দাবি করেন, তার স্বামী কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি বলেন, “আমার স্বামী নিরীহ মানুষ। আমাদের তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এখন তাদের কে দেখবে, কে সংসার চালাবে?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় তিন মাস আগে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধ হয়েছিল। সেই ঘটনার জের ধরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “ঘটনার পর আমরা সরেজমিনে তদন্ত করছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে নগরীর মতিহার থানাধীন ডাসমারী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোস্তফা ওই এলাকার তইমুর আলী শেখের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আজাদ জানান, শনিবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মসজিদে যাচ্ছিলেন মোস্তফা। পথে কে বা কারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম দাবি করেন, তার স্বামী কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি বলেন, “আমার স্বামী নিরীহ মানুষ। আমাদের তিনটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এখন তাদের কে দেখবে, কে সংসার চালাবে?” তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় তিন মাস আগে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে তার স্বামীর বিরোধ হয়েছিল। সেই ঘটনার জের ধরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “ঘটনার পর আমরা সরেজমিনে তদন্ত করছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল। ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক