চায়ের কাপ হাতে ধরে রয়েছেন, কিছু ক্ষণ পর নিজে নিজেই কাঁপতে শুরু করল হাতটি। হাতে ফোন ধরে কথা বলছেন, হঠাৎই হাতটা কেঁপে ফোনটা নীচে পরে গেল। বার্ধক্যে বা স্নায়ুজনিত সমস্যা থাকলে এমন সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আবার অনেক সময় অল্পবয়সিদের মধ্যেও হঠাৎ হঠাৎ হাত কাঁপার সমস্যা দেখা যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে ‘ট্রেমর’ বলা হয়, তা আসলে কোনও রোগ নয়। বরং রোগের লক্ষণ হলেও হতে পারে। শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ যেমন মুখ, ভোকাল কর্ডেও এই সমস্যা দেখা যেতে পারে। তবে হাতেই সবচেয়ে বেশি এই সমস্যা লক্ষ করা যায়।
হ্যান্ড ট্রেমর কেন হয়?
অনেক সময় ফিজিয়োলজিক্যাল ট্রেমার হয়, অর্থাৎ খুব বেশি শারীরিক পরিশ্রম করার পর আপনা থেকেই হাত কাঁপতে পারে। এটা নিয়ে ভাবার খুব বেশি প্রয়োজন নেই, নিজে থেকেই এই সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। এসেনশিয়াল ট্রেমর কিন্তু হয় জিনগত বা শারারিক কোনও সমস্যার কারণে।
স্নায়ুজনিত সমস্যা ছাড়াও আর কী কী কারণে হাত কাঁপতে পারে?
১) মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণে হঠাৎ হাত কাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।
২) নেশার বস্তু হঠাৎ ছাড়তে গেলে মস্তিষ্ক বুঝতে পারে না, তার ঠিক কী করা উচিত। সেই সময়ে স্নায়ু অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে পড়ে। তাই এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলাকালীনও হাত-পা কাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।
৩) ডায়াবিটিস রয়েছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে শুধু হাত নয়, সারা শরীর কাঁপতে পারে।
৪) ক্রনিক অ্যালকোহলিজম অর্থাৎ অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলেও ট্রেমরের সমস্যা শুরু হতে পারে। লিভারের অসুখের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এই সমস্যা হতে পারে।
৫) বয়সকালে মস্তিষ্কে নানা ধরনের স্নায়ুর সমস্যা দেখা যায়। তার মধ্যে পার্কিনসন্স অন্যতম। এই রোগ হলে হাত কাঁপার সমস্যা হতে পারে।
হাত কাঁপা মানেই পার্কিনসন্স নয়
হাত কাঁপছে মানেই অনেকে ধরে নেন তাঁরা হয়তো পার্কিনসন্সে আক্রান্ত। পার্কিনসন্সের থাকলে বিশ্রামরত অবস্থাতেও হাত কাঁপতে থাকে। তবে অন্যান্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যে কোনও কাজ করার সময়েই এই ধরনের সমস্যা শুরু হয়।
হ্যান্ড ট্রেমর কেন হয়?
অনেক সময় ফিজিয়োলজিক্যাল ট্রেমার হয়, অর্থাৎ খুব বেশি শারীরিক পরিশ্রম করার পর আপনা থেকেই হাত কাঁপতে পারে। এটা নিয়ে ভাবার খুব বেশি প্রয়োজন নেই, নিজে থেকেই এই সমস্যা ঠিক হয়ে যায়। এসেনশিয়াল ট্রেমর কিন্তু হয় জিনগত বা শারারিক কোনও সমস্যার কারণে।
স্নায়ুজনিত সমস্যা ছাড়াও আর কী কী কারণে হাত কাঁপতে পারে?
১) মানসিক চাপ বা উদ্বেগের কারণে হঠাৎ হাত কাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।
২) নেশার বস্তু হঠাৎ ছাড়তে গেলে মস্তিষ্ক বুঝতে পারে না, তার ঠিক কী করা উচিত। সেই সময়ে স্নায়ু অতিরিক্ত সক্রিয় হয়ে পড়ে। তাই এই আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলাকালীনও হাত-পা কাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে।
৩) ডায়াবিটিস রয়েছে, এমন রোগীদের ক্ষেত্রেও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে গেলে শুধু হাত নয়, সারা শরীর কাঁপতে পারে।
৪) ক্রনিক অ্যালকোহলিজম অর্থাৎ অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলেও ট্রেমরের সমস্যা শুরু হতে পারে। লিভারের অসুখের ক্ষেত্রেও অনেক সময় এই সমস্যা হতে পারে।
৫) বয়সকালে মস্তিষ্কে নানা ধরনের স্নায়ুর সমস্যা দেখা যায়। তার মধ্যে পার্কিনসন্স অন্যতম। এই রোগ হলে হাত কাঁপার সমস্যা হতে পারে।
হাত কাঁপা মানেই পার্কিনসন্স নয়
হাত কাঁপছে মানেই অনেকে ধরে নেন তাঁরা হয়তো পার্কিনসন্সে আক্রান্ত। পার্কিনসন্সের থাকলে বিশ্রামরত অবস্থাতেও হাত কাঁপতে থাকে। তবে অন্যান্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যে কোনও কাজ করার সময়েই এই ধরনের সমস্যা শুরু হয়।
ফারহানা জেরিন