মুর্শিদাবাদের রেজিনগর থানার ছেতিয়ানি এলাকায় বুধবার থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত ‘বাবরি’ মসজিদের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দুই বছর আগেই (৬ ডিসেম্বর ২০২৫) মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়া সত্ত্বেও নানা কারণে নির্মাণকাল দেরি হওয়ার পর অবশেষে কাজের শুরু হয়েছে।
জনতা উন্নয়ন পার্টি ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বুধবার দুপুরের পর থেকে মসজিদটির ভিত ঢালাই কাজ শুরু হয়। মসজিদ নির্মাণ কার্যক্রম দেখতে ছেতিয়ানি গ্রামে আজ হাজার হাজার মানুষ সমবেত হন।
অনুষ্ঠানটি সকাল ১০টায় পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। প্রায় ১২০০ হাফেজ, মৌলবি ও মুফতি কোরান পাঠ করেন এবং দুপুরের দিকে ইট-সুড়কি নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজ শুরু হয়। হুমায়ুন কবীর নিজে উপস্থিত থেকে নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দেন।
হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, “বাবরি মসজিদের মূল ফটকের ভিত ঢালাই করার মধ্য দিয়ে আজ মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হল। ইঞ্জিনিয়াররা প্রায় দু’বছর সময় নিচ্ছেন এই মসজিদ নির্মাণ শেষ করার জন্য। আগামী দিনে যতো বাধা আসুক, মসজিদটি নির্মাণ হবে।”
জনতা উন্নয়ন পার্টির বেলডাঙা-২ ব্লকের সহ-সভাপতি আসর শেখ জানান, মসজিদটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে একসঙ্গে ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তি নামাজ পড়তে পারেন। আপাতত চার বিঘা জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু হলেও মোট সাত বিঘা জায়গায় মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই মসজিদের নামে ২৭ বিঘা জমি রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় ১১ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করার কাজ চলছে। বাকি জায়গায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আসর শেখ আরও বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা থেকে ইতোমধ্যেই প্রায় ১০ কোটি টাকা চাঁদা সংগ্রহ হয়েছে। আমরা আশা করি নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর চাঁদা সংগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিদেশ থেকেও এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অনেকে দান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তবে ব্যাংক জটিলতার কারণে তা এখনো গ্রহণ করতে পারছি না।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি’ মসজিদ তৈরির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের দূরত্ব তৈরি হয়। ‘দল বিরোধী’ কাজের অভিযোগে তাঁকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয় এবং হালনাগাদ তিনি নিজের নতুন রাজনৈতিক দল-জনতা উন্নয়ন পার্টি-গঠন করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন তাঁর দল আগামী রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ১০০-এর বেশি আসনে লড়াই করবে।
হুমায়ুন বলেন, নতুন রাজনৈতিক দল ও মসজিদের কাজ শুরু করার জন্য আমার মেয়ে, জামাই ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। পুলিশ বেআইনিভাবে তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, এর প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। পুলিশের এই আচরণের প্রতিবাদে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আমি মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি অফিস ঘেরাও করব।
বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর কাজ শুরু হওয়ার পর হুমায়ুন তাঁর প্রস্তাবিত ‘বাবরি যাত্রা’ কিছুটা পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। পলাশি থেকে ইটাহার পর্যন্ত প্রায় ১০০টি গাড়ি নিয়ে যাত্রা করার বদলে, নদিয়ার পলাশির স্মৃতিসৌধ থেকে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার পথজুড়ে সংক্ষিপ্ত পদযাত্রা করার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
জনতা উন্নয়ন পার্টি ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বুধবার দুপুরের পর থেকে মসজিদটির ভিত ঢালাই কাজ শুরু হয়। মসজিদ নির্মাণ কার্যক্রম দেখতে ছেতিয়ানি গ্রামে আজ হাজার হাজার মানুষ সমবেত হন।
অনুষ্ঠানটি সকাল ১০টায় পবিত্র কোরান তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। প্রায় ১২০০ হাফেজ, মৌলবি ও মুফতি কোরান পাঠ করেন এবং দুপুরের দিকে ইট-সুড়কি নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজ শুরু হয়। হুমায়ুন কবীর নিজে উপস্থিত থেকে নির্মাণ কাজের নেতৃত্ব দেন।
হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, “বাবরি মসজিদের মূল ফটকের ভিত ঢালাই করার মধ্য দিয়ে আজ মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হল। ইঞ্জিনিয়াররা প্রায় দু’বছর সময় নিচ্ছেন এই মসজিদ নির্মাণ শেষ করার জন্য। আগামী দিনে যতো বাধা আসুক, মসজিদটি নির্মাণ হবে।”
জনতা উন্নয়ন পার্টির বেলডাঙা-২ ব্লকের সহ-সভাপতি আসর শেখ জানান, মসজিদটি এমনভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে একসঙ্গে ১০ হাজারের বেশি ব্যক্তি নামাজ পড়তে পারেন। আপাতত চার বিঘা জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু হলেও মোট সাত বিঘা জায়গায় মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই মসজিদের নামে ২৭ বিঘা জমি রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় ১১ বিঘা জমি রেজিস্ট্রি করার কাজ চলছে। বাকি জায়গায় স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আসর শেখ আরও বলেন, মসজিদ নির্মাণের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা থেকে ইতোমধ্যেই প্রায় ১০ কোটি টাকা চাঁদা সংগ্রহ হয়েছে। আমরা আশা করি নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার পর চাঁদা সংগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে। বিদেশ থেকেও এই মসজিদ নির্মাণের জন্য অনেকে দান করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তবে ব্যাংক জটিলতার কারণে তা এখনো গ্রহণ করতে পারছি না।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি’ মসজিদ তৈরির ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে হুমায়ুন কবীরের দূরত্ব তৈরি হয়। ‘দল বিরোধী’ কাজের অভিযোগে তাঁকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হয় এবং হালনাগাদ তিনি নিজের নতুন রাজনৈতিক দল-জনতা উন্নয়ন পার্টি-গঠন করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন তাঁর দল আগামী রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ১০০-এর বেশি আসনে লড়াই করবে।
হুমায়ুন বলেন, নতুন রাজনৈতিক দল ও মসজিদের কাজ শুরু করার জন্য আমার মেয়ে, জামাই ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। পুলিশ বেআইনিভাবে তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, এর প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। পুলিশের এই আচরণের প্রতিবাদে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আমি মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি অফিস ঘেরাও করব।
বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর কাজ শুরু হওয়ার পর হুমায়ুন তাঁর প্রস্তাবিত ‘বাবরি যাত্রা’ কিছুটা পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। পলাশি থেকে ইটাহার পর্যন্ত প্রায় ১০০টি গাড়ি নিয়ে যাত্রা করার বদলে, নদিয়ার পলাশির স্মৃতিসৌধ থেকে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার পথজুড়ে সংক্ষিপ্ত পদযাত্রা করার পরিকল্পনা করছেন তিনি।
মিস আনিসা আক্তার :