রাজধানীর পল্লবীতে মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং প্রভাব বিস্তারের দায়ে পোলিং অফিসারসহ দুইজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত দণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। অনুষ্ঠেয় নির্বাচনী কর্মকান্ডে শৃঙ্খলা বিধানে এই শাস্তি প্রদান করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৩(২)(বি) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দোষীদের বিচার করেন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের দায়ে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড করে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের অতিরিক্ত সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কার দুইজন এজেন্ট নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়াই কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করেন। ঘটনার তদন্তে দেখা যায়, কেন্দ্রের দায়িত্বরত পোলিং অফিসার মোছা সুমনা ইসলাম (সহকারী শিক্ষিকা) ওই অবৈধ অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমনা ইসলাম স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী। ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম চালান।
অভিযুক্ত পোলিং অফিসার মোছা সুমনা ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনকেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নিশ্চিত করেছেন, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৩(২)(বি) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দোষীদের বিচার করেন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের দায়ে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড করে এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের অতিরিক্ত সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘দাঁড়িপাল্লা’ মার্কার দুইজন এজেন্ট নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়াই কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করেন। ঘটনার তদন্তে দেখা যায়, কেন্দ্রের দায়িত্বরত পোলিং অফিসার মোছা সুমনা ইসলাম (সহকারী শিক্ষিকা) ওই অবৈধ অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমনা ইসলাম স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী। ঘটনাটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম চালান।
অভিযুক্ত পোলিং অফিসার মোছা সুমনা ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনকেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নিশ্চিত করেছেন, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক