কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ আব্দুল মালেক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা টায় সন্তোষপুর (কোরানীপাড়া) এলাকায় ভূরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা তালুকদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১২২৩৮৩) রাস্তা পারাপারের সময় মোঃ ফজলুল হকের দোকানের সামনে পথচারী হিসেবে থাকা আব্দুল মালেককে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত কুড়িগ্রাম দিকে যাবার আগেই বাসটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করার খবর পাওয়া যায়। আহত আব্দুল মালেককে প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর উদ্দেশ্যে আম্বুলেন্সে নেওয়া হলে নাগেশ্বরী মডেল মসজিদের সামনে অবস্থার আরও অবনতি হলে পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনাস্থলে কৃষ্ণগাছি এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করলে দুই দিকেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানার এসআই নিরঞ্জন রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মোঃ সুজাউদ্দৌলা (সুজা মেম্বার) ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কিছুক্ষণের মধ্যে তালুকদার পরিবহনের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু সমাধানের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আলোচনার মাধ্যমে নিহতের পরিবারের হাতে তালুকদার পরিবহনের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
নিহতের ভাগিনা মোঃ কায়সার আলী জানান, “আমার মামা একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন। হঠাৎ দুর্ঘটনায় আমরা পরিবারসহ ভেঙে পড়েছি। আমরা চাই ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের দুর্ঘটনা আর না ঘটে।
এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি মোঃ সুজাউদ্দৌলা বলেন, এলাকাবাসী ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। আমরা সবাই চাই রাস্তায় নিরাপত্তা আরও জোরদার হোক।
নাগেশ্বরী থানার এসআই নিরঞ্জন রায় বলেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সকল পক্ষকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা টায় সন্তোষপুর (কোরানীপাড়া) এলাকায় ভূরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা তালুকদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো-ব ১২২৩৮৩) রাস্তা পারাপারের সময় মোঃ ফজলুল হকের দোকানের সামনে পথচারী হিসেবে থাকা আব্দুল মালেককে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত কুড়িগ্রাম দিকে যাবার আগেই বাসটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করার খবর পাওয়া যায়। আহত আব্দুল মালেককে প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর উদ্দেশ্যে আম্বুলেন্সে নেওয়া হলে নাগেশ্বরী মডেল মসজিদের সামনে অবস্থার আরও অবনতি হলে পুনরায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনাস্থলে কৃষ্ণগাছি এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করলে দুই দিকেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানার এসআই নিরঞ্জন রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মোঃ সুজাউদ্দৌলা (সুজা মেম্বার) ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কিছুক্ষণের মধ্যে তালুকদার পরিবহনের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু সমাধানের প্রক্রিয়া শুরু হয়। আলোচনার মাধ্যমে নিহতের পরিবারের হাতে তালুকদার পরিবহনের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
নিহতের ভাগিনা মোঃ কায়সার আলী জানান, “আমার মামা একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন। হঠাৎ দুর্ঘটনায় আমরা পরিবারসহ ভেঙে পড়েছি। আমরা চাই ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের দুর্ঘটনা আর না ঘটে।
এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধি মোঃ সুজাউদ্দৌলা বলেন, এলাকাবাসী ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। আমরা সবাই চাই রাস্তায় নিরাপত্তা আরও জোরদার হোক।
নাগেশ্বরী থানার এসআই নিরঞ্জন রায় বলেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সকল পক্ষকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
কংকনা রায়, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: