দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় ট্রেনে কাঁটা পড়ে আব্দুল্ল্যাহ আল ফাহিম (১৭) নামের মানসিক ভারসাম্যহীন এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৪ আগস্ট) রাতে পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসিক গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত আব্দুল্ল্যাহ আল ফাহিম ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ নং শিবনগর ইউনিয়নের রাজারামপুর ফকিরপাড়া গ্রামের মো. মাসুমের ছেলে। সে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
রবিবার (২৫ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ফাহিম দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিল। শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল সে। ওইদিন বিকেলে তাকে ঘটনাস্থল রেল লাইনের পাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন স্থানীয়রা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে রেলের ৩৬৮/৪ নম্বর খুঁটির কাছে পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হলে, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে পার্বতীপুর রেলওয়ে থানাকে খরব দিলে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজিদ হাসানের নেতৃত্বে ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহটি উদ্ধার করেন।
ফাহিমের চাচা জিয়াউর রহমানের সাথে কথা বললে, তিনি বলেন, ফাহিম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে দীর্ঘদিন থেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত। কিছুমাস পূর্বে ফাহিম বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে ঢাকা থেকে ২৫ দিন পর উদ্ধার করা হয়। শনিবার রেললাইনে হাঁটাহাঁটি করার সময় ট্রেনের কাটা পড়ে সে।
পার্বতীপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে সে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহের সুরতহাল শেষে পরিবারের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।