ভোরবেলা থেকে একটানা কেঁদেই চলেছে শিশু। সন্দেহ হওয়ায় দেখতে গিয়েছিলেন ভাড়াটিয়া। জানলা দিয়ে উঁকি মেরে দেখেন, রান্নাঘরে মায়ের গলাকাটা দেহ পড়ে রয়েছে। আর এ দিকে বিছানায় শুয়ে কেঁদেই চলেছে তাঁর দেড় বছরের সন্তান। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল কোচবিহারের চকচকা গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতার নাম অর্পিতা আর্য। গ্রামের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তাঁরা। স্বামী দিনহাটার একটি চালকলে কাজ নাইট ডিউটি করেন। সোমবার সকালে শিশুটির কান্নাকাটি শুনে ভাড়াটিয়া তাঁদের ঘরে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি মহিলার রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান। তিনিই পড়শিদের খবর দিয়েছিলেন। এর পরেই খবর দেওয়া হয় পুলিশে।
বাড়ির মালিক হীরামনচন্দ্র দাস বলেন, ‘‘ন’মাস ধরে ওঁরা ঘরভাড়া নিয়ে রয়েছেন। ওঁদের দেড় বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে। ভোর সাড়ে ৪টে থেকে বাচ্চাটা খুব কান্নাকাটি করছিল। আমাদের সন্দেহ হয়। আমরা ঘরে গিয়ে দেখতে দেখি, রান্নাঘরে মহিলার গলাকাটা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।’’অর্পিতাদের বাড়ি কোচবিহারের কালজানি এলাকায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ উদ্ধার করে পুন্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী ভাবে এবং কী কারণে মহিলা খুন হলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। স্বামীর সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল ছিল কি না, তা দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রতিবেশীদেরও।