প্রচারণার সময় টাকা দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার

আপলোড সময় : ১০-০২-২০২৬ ০৯:০৭:৪৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১০-০২-২০২৬ ০৯:০৭:৪৮ অপরাহ্ন
জামায়াতে ইসলামীর জন্য ঢাকা-১৫ আসনে ভোটে চেয়ে প্রচারণার সময় ধারণ করা ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিওতে দেখা যায় রাস্তায় পান বিক্রি করেন এমন একজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন শাহরিয়ার কবির। কথা শেষে ওই বিক্রেতাকে এক হাজার টাকার একটি নোট দিয়ে যান। সেই ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে।

পরে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর বিষয়টি নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন শাহরিয়ার কবির।

পোস্টে তিনি লেখেছেন, মানবিক আবেদন, আমি গত শনিবারে মিরপুর এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে জামাতের সমর্থনে গণসংযোগ কালে একজন পান ও সিগারেট বিক্রেতার সাথে আমার সাক্ষাতকালে জানতে পারি যে, তার সারাদিন তেমন বেচা বিক্রি হয় নাই এবং আমি সবার সম্মুখে ক্যামেরার সামনে এক হাজার টাকা দান করি মানবিক দিক বিবেচনা করে। ওই একই স্থানে আমি বাচ্চাদের র‍্যাকেট কেনার কিছু টাকা গিফট করি এবং মিডিয়াকে আমি স্পষ্টভাবে বলি এই মানবিক সাহায্যকে আপনারা অন্যভাবে দেখবেন না বা দেখার সুযোগ নেই।

তিনি আরও লেখেন, বাচ্চাদের র‍্যাকেট খেলার ভিডিওটি ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যপকভাবে সাড়া ফেলেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে জুলকার নাইন সায়ের এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম এই মানবিক সাহায্যকে অন্যভাবে প্রচার করার হীন চেষ্টা করিয়াছেন। আমি অত্যান্ত মর্মাহত ও শোকাহত এরুপ দুর্বৃত্তায়নের জন্য। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আমাকে ও সকলকে এমন দুর্বৃত্তায়নের হাত থেকে রক্ষা করুক। তারপরও মানুষ হিসেবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, বয়স্ক ওই ব্যাক্তির কাছে শাহরিয়ার কবির জানতে চান, ব্যবসা কেমন হচ্ছে, বয়স্ক ব্যক্তি উত্তর দেন মোটামুটি। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, মোটামুটি কেন? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না। সবাই ভয়ের মধ্যে আতঙ্ক, কোন সময় কী করে বয়। এক পর্যায়ে শাহরিয়ার কবির বলেন, আমরা মুসলমান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কার ক্ষমতা আছে ভালো করার? আকিসঙ্গে তিনি জিজ্ঞেস করেন রিজিকের মালিক কে? আপনার সঙ্গে এই মুহূর্তে আমার দেখা হবে এর মালিক কে? উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, আল্লাহ। তখন শাহরিয়ার কবির বলেন, তাহলে সে যেটা বলছে তার বাইরে গিয়ে দেশ চললে ভালো হবে? এর পর চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট গুজে দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসারে, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোন ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা উক্ত এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোন প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোন প্রকার চাঁদা বা অনুদান প্রদান করতে বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবেন না।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]