রাজশাহী নগরীর থিম ওমর প্লাজা মার্কেট পরিচালনা, পেন্ট-হাউস ও ফ্ল্যাটসহ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে মারকাজিক ঘটনায় থিম রিয়েল এস্টেটের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, অভিভাবক ও জনগণে নৈরাশ্য তৈরি হয়েছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন, জাকির এন্টারপ্রাইজের নিযোগকৃত কর্মচারী মোঃ আব্দুল আউয়াল ও সুমন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মামলার প্রেক্ষিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সমঝোতা ও বিতর্ক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু দাঁড়িয়েছে।
১৪ জানুয়ারি রাত ১১:১২ মিনিটে স্বয়ং চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ইন্ডিয়ান নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সংযোগ করে হাইক্লিয়ারভাবে বলেন, মার্কেট পরিচালনায় আমার কোনো আপত্তি নেই, তোমরাই চালাতে পারো; তবে পেন্ট-হাউসে কেউ যেন ক্ষতি না করে, প্রবেশ না করতে পারে এবং ডগিকে খাবার দেওয়া হয়।
এরপর রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু ভাই সমঝোতা অনুযায়ী নিয়মিতভাবে বাজার পরিচালনা করছিলেন।
কিন্তু হঠাৎ থিম রিয়েল এস্টেটের পক্ষ থেকে আসাদ নামক ব্যক্তিকে বাদী করে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও ব্যথার সৃষ্টি করেছে।
থিম রিয়েল এস্টেটের সহকর্মী ও ব্যবসায়ীরা মামলা ও সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণার পেছনে ষড়যন্ত্রমূলক হাত রয়েছে কি না জানতে চেয়েছেন এবং জাকির এন্টারপ্রাইজ আবারো রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু ভাইয়ের শরণাপন্ন হন।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু থিম রিয়েল এস্টেট ও জাকির এন্টারপ্রাইজের সকল কর্মচারীসহ বৈঠকে বসেন।
কর্মচারীদের সামনে সিইও ও জামাতা শোভন সাহেবের সাথে আলোচনা করে তারা জানতে চান।
উভয় পক্ষের এই আলোচনায় কোনও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় থিম রিয়েল এস্টেটের কর্মীরা সচেতনভাবে কর্মস্থান ত্যাগ করে জাকির এন্টারপ্রাইজকে মার্কেটের চাবি হস্তান্তর করেন।
০৭ ও ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহীতে থিম রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যানের জামাতা শোভন সাহেবের প্রতিনিধি দলের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও জাকির এন্টারপ্রাইজ ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, মামলা প্রত্যাহার, এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রেস ব্রিফিং/প্রতিবাদ ছাড়া অন্য কোন শর্ত মানবে না বলে শর্ত রাখে।
ওই দিন বিকেল ৫টায় শোভন জামান এর প্রতিনিধিরা ওমর প্লাজা পরিচালনার দায়িত্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে রাজশাহী ত্যাগ করেন এবং আশ্বাস দেন, শীঘ্রই উভয় পক্ষের বৈঠকে আপনার দাবিসমূহ পূরণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অভিভাবকগণ হতাশ ও ব্যথিত হয়েছেন। রাজশাহী শহরের ব্যবসা-পেশা ও জনজীবনে হতাশা তৈরি হয়েছে।
জাকির এন্টারপ্রাইজ কর্ণধাররা ঘোষণা করেছেন, রমজানকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। সমাধান ও ন্যায্য পরিস্থিতির জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজশাহী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন, জাকির এন্টারপ্রাইজের নিযোগকৃত কর্মচারী মোঃ আব্দুল আউয়াল ও সুমন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মামলার প্রেক্ষিতে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সমঝোতা ও বিতর্ক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু দাঁড়িয়েছে।
১৪ জানুয়ারি রাত ১১:১২ মিনিটে স্বয়ং চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ইন্ডিয়ান নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে সংযোগ করে হাইক্লিয়ারভাবে বলেন, মার্কেট পরিচালনায় আমার কোনো আপত্তি নেই, তোমরাই চালাতে পারো; তবে পেন্ট-হাউসে কেউ যেন ক্ষতি না করে, প্রবেশ না করতে পারে এবং ডগিকে খাবার দেওয়া হয়।
এরপর রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু ভাই সমঝোতা অনুযায়ী নিয়মিতভাবে বাজার পরিচালনা করছিলেন।
কিন্তু হঠাৎ থিম রিয়েল এস্টেটের পক্ষ থেকে আসাদ নামক ব্যক্তিকে বাদী করে দুইটি মামলা দায়ের করা হয়। এতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও ব্যথার সৃষ্টি করেছে।
থিম রিয়েল এস্টেটের সহকর্মী ও ব্যবসায়ীরা মামলা ও সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণার পেছনে ষড়যন্ত্রমূলক হাত রয়েছে কি না জানতে চেয়েছেন এবং জাকির এন্টারপ্রাইজ আবারো রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু ভাইয়ের শরণাপন্ন হন।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি রবিউল আলম মিলু ও মাইনুল হক হারু থিম রিয়েল এস্টেট ও জাকির এন্টারপ্রাইজের সকল কর্মচারীসহ বৈঠকে বসেন।
কর্মচারীদের সামনে সিইও ও জামাতা শোভন সাহেবের সাথে আলোচনা করে তারা জানতে চান।
উভয় পক্ষের এই আলোচনায় কোনও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় থিম রিয়েল এস্টেটের কর্মীরা সচেতনভাবে কর্মস্থান ত্যাগ করে জাকির এন্টারপ্রাইজকে মার্কেটের চাবি হস্তান্তর করেন।
০৭ ও ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজশাহীতে থিম রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যানের জামাতা শোভন সাহেবের প্রতিনিধি দলের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও জাকির এন্টারপ্রাইজ ৩ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, মামলা প্রত্যাহার, এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রেস ব্রিফিং/প্রতিবাদ ছাড়া অন্য কোন শর্ত মানবে না বলে শর্ত রাখে।
ওই দিন বিকেল ৫টায় শোভন জামান এর প্রতিনিধিরা ওমর প্লাজা পরিচালনার দায়িত্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে রাজশাহী ত্যাগ করেন এবং আশ্বাস দেন, শীঘ্রই উভয় পক্ষের বৈঠকে আপনার দাবিসমূহ পূরণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অভিভাবকগণ হতাশ ও ব্যথিত হয়েছেন। রাজশাহী শহরের ব্যবসা-পেশা ও জনজীবনে হতাশা তৈরি হয়েছে।
জাকির এন্টারপ্রাইজ কর্ণধাররা ঘোষণা করেছেন, রমজানকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা স্বাচ্ছন্দ্যে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন। সমাধান ও ন্যায্য পরিস্থিতির জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব।