রাজশাহীর তানোরে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারী সোমবার উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনায় ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নানের সভাপতিত্বে গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতিক) মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন, বিএনপির মিডিয়া রিসার্চ কমিটির প্রধান রাতুল আসাদ,তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা,পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক মমিন, পাঁচন্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা,সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক অরণ্য কুসুম,ড্যাব নেতা ডাঃ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেকপ্রমুখ।অন্যদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ নৃ-গোষ্ঠী,খৃষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাগণ ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুর থেকেই নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণায় গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। এই মাঠে এর আগে এতো বড় জনসভা হয়নি। নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কোথাও তিল ধারণের জায়গা ছিলো না।এদিন আশপাশের বাড়ির ছাদ ও গাছের মগডালে বসে অনেক নেতাকর্মীরা প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনেন।
প্রধান অতিথি বলেন,আমরা নিজেরা দুর্নীতি করব না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয়ও দেব না। সকলের জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে, এখানে কেউ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে।
তিনি বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি জাতির বাক পরিবর্তন এবং জাতিকে সঠিক পথে উঠানোর নির্বাচন। বহু রক্তের বিনিময়ে আমরা এই নির্বাচন পেয়েছি। তিনি প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও আসাদুজ্জামান আসাদের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন এবং তাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমরা সমাজের সর্বক্ষেত্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সবার আগে বাংলাদেশ এই বাংলাদেশ হবে নতুন বাংলাদেশ।’ তিনি বলেন, আমরা সেই শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেই শিক্ষাব্যবস্থা লড়াকু একজন সৈনিক তৈরি করবে যে দেশটাকে গড়ে দেবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সে বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে শিশু, বৃদ্ধ, আবাল বনিতা সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। যে বাংলাদেশে আমার মায়েরা ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে, সমাজ তাদের মর্যাদা দেবে সেই বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাচ্ছি।তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ হবে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, ‘কর্মস্থলে যে সমস্ত মা- বোনেরা কাজ করেন; তাদের জন্য বেবি কেয়ার, ডে কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলা হবে জায়গায় জায়গায়। শিল্প এবং ঘন এলাকায় তাদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।
জানা গেছে, ৯ ফেব্রুয়ারী সোমবার উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনায় ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নানের সভাপতিত্বে গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ প্রতিক) মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহাফুজুর রহমান মিলন, বিএনপির মিডিয়া রিসার্চ কমিটির প্রধান রাতুল আসাদ,তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, চাঁন্দুড়িয়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, বাধাইড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান হেনা,পাঁচন্দর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনুল হক মমিন, পাঁচন্দর ইউপি বিএনপির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, তানোর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হযরত আলী মাস্টার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা,সদস্য সচিব শরিফ উদ্দিন মুন্সী, জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক অরণ্য কুসুম,ড্যাব নেতা ডাঃ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মোতালেব হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেকপ্রমুখ।অন্যদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ নৃ-গোষ্ঠী,খৃষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতাগণ ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে বক্তব্য রাখেন।
এছাড়াও উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে দুপুর থেকেই নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণায় গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠে। এই মাঠে এর আগে এতো বড় জনসভা হয়নি। নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কোথাও তিল ধারণের জায়গা ছিলো না।এদিন আশপাশের বাড়ির ছাদ ও গাছের মগডালে বসে অনেক নেতাকর্মীরা প্রধান অতিথির বক্তব্য শোনেন।
প্রধান অতিথি বলেন,আমরা নিজেরা দুর্নীতি করব না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয়ও দেব না। সকলের জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা হবে, এখানে কেউ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে।
তিনি বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি জাতির বাক পরিবর্তন এবং জাতিকে সঠিক পথে উঠানোর নির্বাচন। বহু রক্তের বিনিময়ে আমরা এই নির্বাচন পেয়েছি। তিনি প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও আসাদুজ্জামান আসাদের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন এবং তাদের রেখে যাওয়া অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।
তিনি বলেন, আমরা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমরা সমাজের সর্বক্ষেত্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সবার আগে বাংলাদেশ এই বাংলাদেশ হবে নতুন বাংলাদেশ।’ তিনি বলেন, আমরা সেই শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেই শিক্ষাব্যবস্থা লড়াকু একজন সৈনিক তৈরি করবে যে দেশটাকে গড়ে দেবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সে বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে শিশু, বৃদ্ধ, আবাল বনিতা সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। যে বাংলাদেশে আমার মায়েরা ঘরে, চলাচলে, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে, সমাজ তাদের মর্যাদা দেবে সেই বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাচ্ছি।তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ হবে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, ‘কর্মস্থলে যে সমস্ত মা- বোনেরা কাজ করেন; তাদের জন্য বেবি কেয়ার, ডে কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলা হবে জায়গায় জায়গায়। শিল্প এবং ঘন এলাকায় তাদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে।