আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে পুলিশ ও নির্বাচন সংক্রান্ত সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের মোট ৭৭৮টি ভোটকেন্দ্রের ৪৩৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এতে ভোটগ্রহণ চলাকালীন খধ-িধহফ-ঙৎফবৎ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
শুরুতে এসব কেন্দ্রকে নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হলেও, এর অর্থ সরকারি কোনো কেন্দ্র বিশেষে সংশয় বা অসঙ্গতি হবে না; বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
পুলিশ ও বিশেষ শাখার সতর্কতা অনুযায়ী, গত নির্বাচনের পূর্ববর্তী সহিংসতা, কেন্দ্রের ভৌগলিক অবস্থা, অন্য কেন্দ্রের তুলনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং ভোটার, প্রার্থীর উপস্থিতির সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে কেন্দ্রগুলিকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেই পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, র্যাব-৫ শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ৫ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি ম্যাগাজিন ও ৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। একই রাতে রাজশাহীর আউচপাড়া ইউনিয়নে আরও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৫ পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র সম্ভাব্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ভোটকেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা সৃষ্টি করার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছিল। র্যাব ওই সংক্রান্ত অনুসন্ধানি ও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখছে।
এর আগের দিন শুক্রবার ভোরে বিজিবি-১ এর একটি দল বাঘা উপজেলার পিরোজপুর থেকে দুটি পিস্তল, আর কয়েকদিন আগে রাজশাহীর চর এলাকা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে সৈনিকরা জানিয়েছেন। বিজিবি-১ এর সহকারী পরিচালক সোহাগ মিলন জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র সরবরাহকারীর উদ্দেশ্য ভোটের পরিবেশ অস্থিতিশীল করা।
শুরুতে এসব কেন্দ্রকে নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হলেও, এর অর্থ সরকারি কোনো কেন্দ্র বিশেষে সংশয় বা অসঙ্গতি হবে না; বরং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
পুলিশ ও বিশেষ শাখার সতর্কতা অনুযায়ী, গত নির্বাচনের পূর্ববর্তী সহিংসতা, কেন্দ্রের ভৌগলিক অবস্থা, অন্য কেন্দ্রের তুলনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা, এবং ভোটার, প্রার্থীর উপস্থিতির সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে কেন্দ্রগুলিকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেই পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে, র্যাব-৫ শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ৫ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি ম্যাগাজিন ও ৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। একই রাতে রাজশাহীর আউচপাড়া ইউনিয়নে আরও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৫ পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র সম্ভাব্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ভোটকেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা সৃষ্টি করার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছিল। র্যাব ওই সংক্রান্ত অনুসন্ধানি ও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখছে।
এর আগের দিন শুক্রবার ভোরে বিজিবি-১ এর একটি দল বাঘা উপজেলার পিরোজপুর থেকে দুটি পিস্তল, আর কয়েকদিন আগে রাজশাহীর চর এলাকা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে সৈনিকরা জানিয়েছেন। বিজিবি-১ এর সহকারী পরিচালক সোহাগ মিলন জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র সরবরাহকারীর উদ্দেশ্য ভোটের পরিবেশ অস্থিতিশীল করা।