আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ অশান্ত করতে নাশকতার পরিকল্পনার প্রমাণ হিসেবে র্যাব-৫ শনিবার রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান শ্যুটার পিস্তল, ৫ রাউন্ড কার্তুজ, ২টি ম্যাগাজিন ও ৮টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। একই রাতে রাজশাহীর আউচপাড়া ইউনিয়নে আরও বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৫ পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র সম্ভাব্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ভোটকেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা সৃষ্টি করার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছিল। র্যাব ওই সংক্রান্ত অনুসন্ধানি ও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখছে।
এর আগের দিন শুক্রবার ভোরে বিজিবি-১ এর একটি দল বাঘা উপজেলার পিরোজপুর থেকে দুটি পিস্তল, আর কয়েকদিন আগে রাজশাহীর চর এলাকা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে সৈনিকরা জানিয়েছেন। বিজিবি-১ এর সহকারী পরিচালক সোহাগ মিলন জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র সরবরাহকারীর উদ্দেশ্য ভোটের পরিবেশ অস্থিতিশীল করা।
স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাগমারার আউচপাড়া এলাকার বসবাসকারী নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে যে পরিমাণ অস্ত্র পাওয়া যাচ্ছে, তা দেখে মনে হচ্ছে বাড়তি সহিংসতার পরিকল্পনা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরো কড়াকড়ি প্রয়োজন।
রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ৫,৫০৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২,৭৮৬টি কেন্দ্র প্রাথমিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে সহিংসতার আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
রাজশাহী ও বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। রাজশাহীর ছয়টি আসনের মোট ৭৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৯টি, বগুড়ার ৯৮৩টির মধ্যে ৫০১টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন আসনে ৫১৫টির মধ্যে ৩৪২টি, নাটোরের ৭৮০টির মধ্যে ১৯২টি, নওগাঁর ৭৮২টির মধ্যে ৩৬৪টি, সিরাজগঞ্জের ৯২৩টির মধ্যে ৪৬২টি, পাবনার ৭১২টির মধ্যে ২৬৯টি এবং জয়পুরহাটের ২৫৫টির মধ্যে ১৭৬টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় কিছু শঙ্কা থেকে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।
পাবনা-৪ আসনে ইতোমধ্যেই জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিএনপি মনোনীত ও বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
পাবনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউর রহমান মন্ডল জানিয়েছেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত মোতায়েন থাকবে, যাতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
র্যাব-৫ পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র সম্ভাব্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ভোটকেন্দ্র সহ বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা সৃষ্টি করার পরিকল্পনায় রাখা হয়েছিল। র্যাব ওই সংক্রান্ত অনুসন্ধানি ও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রাখছে।
এর আগের দিন শুক্রবার ভোরে বিজিবি-১ এর একটি দল বাঘা উপজেলার পিরোজপুর থেকে দুটি পিস্তল, আর কয়েকদিন আগে রাজশাহীর চর এলাকা থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে সৈনিকরা জানিয়েছেন। বিজিবি-১ এর সহকারী পরিচালক সোহাগ মিলন জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র সরবরাহকারীর উদ্দেশ্য ভোটের পরিবেশ অস্থিতিশীল করা।
স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাগমারার আউচপাড়া এলাকার বসবাসকারী নজরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে যে পরিমাণ অস্ত্র পাওয়া যাচ্ছে, তা দেখে মনে হচ্ছে বাড়তি সহিংসতার পরিকল্পনা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরো কড়াকড়ি প্রয়োজন।
রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ৫,৫০৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২,৭৮৬টি কেন্দ্র প্রাথমিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে সহিংসতার আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
রাজশাহী ও বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। রাজশাহীর ছয়টি আসনের মোট ৭৭৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৯টি, বগুড়ার ৯৮৩টির মধ্যে ৫০১টি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন আসনে ৫১৫টির মধ্যে ৩৪২টি, নাটোরের ৭৮০টির মধ্যে ১৯২টি, নওগাঁর ৭৮২টির মধ্যে ৩৬৪টি, সিরাজগঞ্জের ৯২৩টির মধ্যে ৪৬২টি, পাবনার ৭১২টির মধ্যে ২৬৯টি এবং জয়পুরহাটের ২৫৫টির মধ্যে ১৭৬টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় কিছু শঙ্কা থেকে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।
পাবনা-৪ আসনে ইতোমধ্যেই জামায়াতে ইসলাম ও বিএনপি পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া বিএনপি মনোনীত ও বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
পাবনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউর রহমান মন্ডল জানিয়েছেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত মোতায়েন থাকবে, যাতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।