নাটোরের গুরুদাসপুরে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঝাউপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়াও আগুনে পুড়ে গেছে মুদি দোকানসহ পাঁচটি ঘর, আসবাবপত্র এবং ১২টি ছাগল।
গুরুদাসপুর থানার ওসি শফিকুজ্জামান সরকার জানান, ঝাউপাড়া এলাকায় মোন্তার হোসেনের বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই পুরো বসতভিটা ভস্মিভূত হওয়াসহ আগুনে পুড়ে মারা যান মোন্তার হোসেনের ছেলে রান্টু ইসলামের স্ত্রী আতিয়া এবং তাদের দেড় বছর বয়সী মেয়ে রওজা খাতুন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হন মোন্তার হোসেনসহ তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম। তাদের উদ্ধার করে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে মর্জিনা বেগমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা গোয়াল ঘরের মশার কয়েল থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজ জানান, মা ও তার শিশুকন্যার মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রাথমিকভাবে নিহতদেন দাফনসহ আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য ৪০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক সহায়তা করা হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঝাউপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়াও আগুনে পুড়ে গেছে মুদি দোকানসহ পাঁচটি ঘর, আসবাবপত্র এবং ১২টি ছাগল।
গুরুদাসপুর থানার ওসি শফিকুজ্জামান সরকার জানান, ঝাউপাড়া এলাকায় মোন্তার হোসেনের বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই পুরো বসতভিটা ভস্মিভূত হওয়াসহ আগুনে পুড়ে মারা যান মোন্তার হোসেনের ছেলে রান্টু ইসলামের স্ত্রী আতিয়া এবং তাদের দেড় বছর বয়সী মেয়ে রওজা খাতুন।
তিনি জানান, এ ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হন মোন্তার হোসেনসহ তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম। তাদের উদ্ধার করে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে মর্জিনা বেগমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট অথবা গোয়াল ঘরের মশার কয়েল থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা আফরোজ জানান, মা ও তার শিশুকন্যার মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রাথমিকভাবে নিহতদেন দাফনসহ আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য ৪০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের সার্বিক সহায়তা করা হবে।