ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সরকারি খাসজমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বশির মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া নারী ও শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামে লম্বা হাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত বশির মিয়া ওই গ্রামের হিলাল উদ্দীনের ছেলে।
জানা গেছে, খাগালিয়া গ্রামের লম্বা হাটি এলাকায় সরকারি খাস জায়গা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি আলমগীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি সরকার থেকে জমি কিনেছেন দাবি করে সেখানে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করেন। এ নিয়ে প্রতিপক্ষ কুতুবের বাড়ির নারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরই জেরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বশির মিয়া গুরুতর আহত হন। তার স্বজনরা আহত অবস্থায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত বশির মিয়ার ভাতিজি খায়রুন্নেসা গণমাধ্যমকে বলেন, দুপুরে আমাদের বাড়ির সবাই জমিতে কাজ করতে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আলমগীর মিয়া তার লোকদের নিয়ে সরকারি জায়গা দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে আমাদের ঘরের সব মেয়েদের নির্যাতন করে। পরে আমার চাচা বাঁচাতে আসলে তাকে গলায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধের জের ও সরকারি খাসজমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামে লম্বা হাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত বশির মিয়া ওই গ্রামের হিলাল উদ্দীনের ছেলে।
জানা গেছে, খাগালিয়া গ্রামের লম্বা হাটি এলাকায় সরকারি খাস জায়গা দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি আলমগীর মিয়া নামে এক ব্যক্তি সরকার থেকে জমি কিনেছেন দাবি করে সেখানে সীমানা নির্ধারণের কাজ শুরু করেন। এ নিয়ে প্রতিপক্ষ কুতুবের বাড়ির নারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরই জেরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বশির মিয়া গুরুতর আহত হন। তার স্বজনরা আহত অবস্থায় নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত বশির মিয়ার ভাতিজি খায়রুন্নেসা গণমাধ্যমকে বলেন, দুপুরে আমাদের বাড়ির সবাই জমিতে কাজ করতে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আলমগীর মিয়া তার লোকদের নিয়ে সরকারি জায়গা দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে আমাদের ঘরের সব মেয়েদের নির্যাতন করে। পরে আমার চাচা বাঁচাতে আসলে তাকে গলায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধের জের ও সরকারি খাসজমি নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।