রাজশাহী জেলা ৬টি আসনের মধ্যে শুধুমাত্র রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনেই দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীই শক্তিশালী (হেভিওয়েট) হওয়ায় এবার ব্যাপক প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। মোট ৫ জন প্রার্থী থাকলেও লড়াই কার্যত বিএনপি ও জামায়াত মনোনীত দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ বলে ধারণা রাজশাহীবাসীর।
এ আসনে বিএনপি মনোনীত মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন ও জামায়াত ইসলামীর মনোনীত অধ্যাপক মুজিবুর রহমান জনপ্রিয় ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকি তিন প্রার্থীর মধ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান, কিন্তু লড়াই জমে উঠেছে মূলত বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন, যার মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন ও পুরুষ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন। আসনটি ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত, যার মোট আয়তন ৭৭০ বর্গকিলোমিটার।
স্থানীয়দের মতে এবারের লড়াইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে আদিবাসী ভোটাররা, কারণ মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ আদিবাসী। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং বাকিরাই বিএনপি সমর্থক, ফলে কোন দিকটি ঝুঁকে যাচ্ছে তা জয়-পরাজয়ের মূল ফ্যাক্টর হতে পারে।
গোদাগাড়ীর ঋশিকুল এলাকার বাসিন্দা আলি আসগর বলেন, এবার মনে হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত দুই প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তবে জয় নির্ধারিত হতে পারে আদিবাসীদের ভোটে। ফলে ভোট পেতে তাঁদের কাছে দুই দলের লোকজনই যাচ্ছেন।
সর্বশেষ, রাজশাহী-১ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির প্রভাব শক্তিশালী থাকলেও এবার দু’দিকে শক্তিশালী প্রার্থীর উপস্থিতি নির্বাচনী লড়াইকে করেছে অধিক জটিল ও ফলাফল অনিশ্চিত।
এ আসনে বিএনপি মনোনীত মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন ও জামায়াত ইসলামীর মনোনীত অধ্যাপক মুজিবুর রহমান জনপ্রিয় ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাকি তিন প্রার্থীর মধ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির আব্দুর রহমান, কিন্তু লড়াই জমে উঠেছে মূলত বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন, যার মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন ও পুরুষ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন। আসনটি ৪টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত, যার মোট আয়তন ৭৭০ বর্গকিলোমিটার।
স্থানীয়দের মতে এবারের লড়াইয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে আদিবাসী ভোটাররা, কারণ মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ আদিবাসী। এদের মধ্যে একটি বড় অংশ ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং বাকিরাই বিএনপি সমর্থক, ফলে কোন দিকটি ঝুঁকে যাচ্ছে তা জয়-পরাজয়ের মূল ফ্যাক্টর হতে পারে।
গোদাগাড়ীর ঋশিকুল এলাকার বাসিন্দা আলি আসগর বলেন, এবার মনে হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত দুই প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে। তবে জয় নির্ধারিত হতে পারে আদিবাসীদের ভোটে। ফলে ভোট পেতে তাঁদের কাছে দুই দলের লোকজনই যাচ্ছেন।
সর্বশেষ, রাজশাহী-১ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির প্রভাব শক্তিশালী থাকলেও এবার দু’দিকে শক্তিশালী প্রার্থীর উপস্থিতি নির্বাচনী লড়াইকে করেছে অধিক জটিল ও ফলাফল অনিশ্চিত।