বরগুনার তালতলীতে এক নারী (৪০) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ৪ যুবকের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড় পাড়া গ্রামের মানিক হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারী পালিয়ে স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নিলে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ফজরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা তাকে দেখতে পান। পরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি মুসল্লিদের সামনে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করতেন। সেখানে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামের হিরনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে হিরন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য একসময় হিরন ভুক্তভোগী নারী ও তার মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় যান এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। এরপর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে মঙ্গলবার বিকেলে হিরনের সঙ্গে মহিপুর থেকে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকায় আসেন ভুক্তভোগী নারী। পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরন তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হিরনসহ চারজন মৃত্যুর হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর গভীর রাতে অভিযুক্তরা একসঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে গেলে সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে পাশের একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই সারারাত অবস্থান করেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, পরিচয়ের পর বিয়ের কথা বলে আমাকে এখানে নিয়ে আসে। রাতে চারজন মিলে আমার সঙ্গে পাশবিক আচরণ করেছে। আমি এর বিচার চাই।
একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, হিরন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে আসছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা ও নারী দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।
স্থানীয় মুসল্লি ফারুক বলেন, ফজরের নামাজ শেষে বের হয়ে দেখি এক নারী মসজিদের পাশে বসে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, হিরন নামের এক ব্যক্তি তাকে এখানে এনে চারজন মিলে সারারাত ধর্ষণ করেছে।
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের বড় পাড়া গ্রামের মানিক হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই নারী পালিয়ে স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নিলে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ফজরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা তাকে দেখতে পান। পরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি মুসল্লিদের সামনে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করতেন। সেখানে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামের হিরনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে হিরন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য একসময় হিরন ভুক্তভোগী নারী ও তার মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় যান এবং বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেন। এরপর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করবেন বলে আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসে বিশ্বাস করে মঙ্গলবার বিকেলে হিরনের সঙ্গে মহিপুর থেকে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকায় আসেন ভুক্তভোগী নারী। পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরন তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে হিরনসহ চারজন মৃত্যুর হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এরপর গভীর রাতে অভিযুক্তরা একসঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে বাইরে গেলে সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে পাশের একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নেন এবং সেখানেই সারারাত অবস্থান করেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, পরিচয়ের পর বিয়ের কথা বলে আমাকে এখানে নিয়ে আসে। রাতে চারজন মিলে আমার সঙ্গে পাশবিক আচরণ করেছে। আমি এর বিচার চাই।
একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, হিরন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে এনে ধর্ষণ ও নির্যাতন করে আসছে। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা ও নারী দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।
স্থানীয় মুসল্লি ফারুক বলেন, ফজরের নামাজ শেষে বের হয়ে দেখি এক নারী মসজিদের পাশে বসে কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, হিরন নামের এক ব্যক্তি তাকে এখানে এনে চারজন মিলে সারারাত ধর্ষণ করেছে।
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।