ভোটটা দিবেন দেখবেন, কোন রকমের কারচুপি হচ্ছে কিনা। আপনার এলাকার আপনি সবাইকে চিনেন একাজটা নিখুত ভাবে করবেন। সবাইকে চিনে রাখতে হবে ভোট কেন্দ্রে কোন কারচুপি হচ্ছে কিনা। রেজান্ট না হওয়া পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র ছেড়ে যাবেন না। এযুদ্ধে আমরাই জয়ি হবো ইনশাল্লাহ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়াারি) মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কিসমত দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসা ও ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় যোগ দেন তিনি। এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা পত্র-পত্রিকা-স্যোশাল মিডিয়ায় কিছুদিন ধরে দেখছি, একটি দল নারীদের হেয় করে নানা বাজে কথা বলছে। আপনারাই বলুন, যেখানে দেশের অর্ধেক মানুষ নারী, তারা আমাদের মা-বোন, তাদেরকে সম্মান করতে ইজ্জত দিতে যারা জানেনা তারা কিভাবে দেশ চালাবে !
প্রতিপক্ষ জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি সব সময় কাজে বিশ্বাস করে, কর্মে বিশ্বাস করে, আমরা নিছক সমালোচনায় বিশ্বাস করি না। আজকে একটি দল আপনাদের সামনে এসেছে, এদেরকে আমরা আগে কখনো এভাবে দেখিনি। এখন তারা এসেছে রাজনীতি করতে, নির্বাচন করতে। নির্বাচন নিশ্চয়ই করবেন, রাজনীতি করার সবার অধিকার আছে কিন্তু দয়া করে মিথ্যা কথা বলবেন না।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামের কথা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। মা-বোনদেরকে ভুল বুঝাচ্ছে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি জান্নাত পাবে। এটা কোন মুসলমান বিশ্বাস করে না, মাকে শ্রদ্ধা না করলে কেউ বেহেশত পেতে পারেনা। চরমোনাই পীর সাহেব বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কোন ইসলামী দল নয়।
তিনি বলেন বিএনপি যদি নির্বাচিত হয় তাহলে কৃষিভিত্তিক শিল্প, কলকারখানা, যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি যুবকের চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন আওয়ামীলীগ সরকার আমার উপর ১১৭ টি মিথ্যা মামলা দিয়েছিল, সাড়ে তিন বছর জেলে ছিলাম। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০ বছর জেল খেটেছে। ২০ হাজার নেতাকর্মী খুন হয়েছে। নতুন সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন।
মির্জা ফখরুল বলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে প্রত্যেকের হাতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। কৃষক যেন ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ, তেল ও কৃষি পণ্য ক্রয় করতে পারে। ১০ হাজার টাকা পযন্ত কৃষকের ঋণ মউকুফ করে দেওয়া হবে, নারীদের এনজিও ঋণের কিস্তির দায়িত্ব নিবে সরকার, দেড় বছরে এক কোটি যুবকের চাকরির ব্যবস্যা করা-সহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন তিনি ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপি, ওয়ার্ড বিএনপিসহ সাধারণ ভোটাররা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়াারি) মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কিসমত দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসা ও ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় যোগ দেন তিনি। এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা পত্র-পত্রিকা-স্যোশাল মিডিয়ায় কিছুদিন ধরে দেখছি, একটি দল নারীদের হেয় করে নানা বাজে কথা বলছে। আপনারাই বলুন, যেখানে দেশের অর্ধেক মানুষ নারী, তারা আমাদের মা-বোন, তাদেরকে সম্মান করতে ইজ্জত দিতে যারা জানেনা তারা কিভাবে দেশ চালাবে !
প্রতিপক্ষ জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি সব সময় কাজে বিশ্বাস করে, কর্মে বিশ্বাস করে, আমরা নিছক সমালোচনায় বিশ্বাস করি না। আজকে একটি দল আপনাদের সামনে এসেছে, এদেরকে আমরা আগে কখনো এভাবে দেখিনি। এখন তারা এসেছে রাজনীতি করতে, নির্বাচন করতে। নির্বাচন নিশ্চয়ই করবেন, রাজনীতি করার সবার অধিকার আছে কিন্তু দয়া করে মিথ্যা কথা বলবেন না।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামের কথা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। মা-বোনদেরকে ভুল বুঝাচ্ছে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি জান্নাত পাবে। এটা কোন মুসলমান বিশ্বাস করে না, মাকে শ্রদ্ধা না করলে কেউ বেহেশত পেতে পারেনা। চরমোনাই পীর সাহেব বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কোন ইসলামী দল নয়।
তিনি বলেন বিএনপি যদি নির্বাচিত হয় তাহলে কৃষিভিত্তিক শিল্প, কলকারখানা, যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ, দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি যুবকের চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন আওয়ামীলীগ সরকার আমার উপর ১১৭ টি মিথ্যা মামলা দিয়েছিল, সাড়ে তিন বছর জেলে ছিলাম। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১০ বছর জেল খেটেছে। ২০ হাজার নেতাকর্মী খুন হয়েছে। নতুন সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন।
মির্জা ফখরুল বলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে প্রত্যেকের হাতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। কৃষক যেন ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ, তেল ও কৃষি পণ্য ক্রয় করতে পারে। ১০ হাজার টাকা পযন্ত কৃষকের ঋণ মউকুফ করে দেওয়া হবে, নারীদের এনজিও ঋণের কিস্তির দায়িত্ব নিবে সরকার, দেড় বছরে এক কোটি যুবকের চাকরির ব্যবস্যা করা-সহ নানা প্রতিশ্রুতি দেন তিনি ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপি, ওয়ার্ড বিএনপিসহ সাধারণ ভোটাররা।