রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বোধহয় হয়েছে ঐক্যবদ্ধ বিএনপির কোনো বিকল্প নাই। তারা বলছেন,স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন এক নয়। জাতীয় নির্বাচন সরকার গঠনের।তারা বলছে, ধানের শীষ প্রতিক হলো শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রয়াত দেশনেত্রী খালেদা, তারেক জিয়া সর্বপরি বিএনপির। এখানে শরিফ উদ্দিন পরাজিত হলে কেউ বলবে না শরিফ উদ্দিন পরাজিত হয়েছে, সবাই বলবে বিএনপির পরাজয় হয়েছে,একইভাবে শরিফ উদ্দিন বিজয়ী হলে কেউ বলবে না শরিফ উদ্দিন বিজয়ী হয়েছে,সবাই বলবে বিএনপির বিজয় হয়েছে। তাদের ভাষ্য, দোষ থাকতে পারে কোনো নেতাকর্মী বা প্রার্থীর,কিন্ত্ত ধানের শীষ প্রতিকের কোনো দোষ নাই, তাই কোনো নেতাকর্মী বা প্রার্থীর ওপর অভিমান করে তারা ধানের শীষের পরাজয় ঘটাতে পারেন না।
বিএনপি নেতাকর্মীদের বোধদয় এটা তারেক রহমান ও বিএনপির প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে ধানের শীষের বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না।
এদিকে নেতাকর্মীদের মাঝে এমন বোধদয় সৃষ্টির পর মনোনয়ন বঞ্চিতদের ক্ষোভ আর মান-অভিমান দুর হয়েছে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কোমর বেঁধে নেমেছেন প্রচারণায়।এতে রাতারাতি ভোটের হিসেব-নিকেশ পাল্টে গেছে। বিএনপির ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যর কোনো বিকল্প নাই।ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, তারাও নির্বাচন সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণা মুখর জমজমাট হয়ে উঠেছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত ,ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের আহবানে সাড়া দিয়ে অতীতের ভেদাভেদ ভুলে বহুধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রমাণ করেছে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
জানা গেছে,রাজশাহী-১ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে ছিল বিশৃঙ্খল অবস্থা।অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেননি। মান-অভিমান নিয়ে কেউ গুটিয়ে রাখেন নিজেকে, আবার কেউ সিদ্ধান্ত না মেনে ছিলেন মাঠে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামা থেকে বিরত ছিলেন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরাও। কিন্তু দলীয় কঠোর নির্দেশনায় প্রতীক বরাদ্দের পর ঐক্য ফিরেছে বিএনপিতে। দিন যত যাচ্ছে দূরত্ব ঘুচিয়ে দলীয় প্রতীক বিজয়ী করতে এককাট্টা হয়ে এবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা। এই আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। রাজশাহী-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক সামরিক সচিব ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন। শরিফ উদ্দিনকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পরিবর্তনের আশায় মাঠে ছিলেন বিএনপি নেতা ও শিল্পপতি এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক।
দুই নেতার পাল্টাপাল্টি শোডাউনে বিভক্ত হয়ে পড়েন দলের নেতা-কর্মীরা।কিন্তু প্রতীক বরাদ্দের পর সেই দূরত্ব আর অনৈক্য ঘুচে যায়। বিভেদ ভুলে মনোনয়ন বঞ্চিতরা এককাট্টা হয়ে যান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে। মনোনয়ন বঞ্চিতদের দাবি ব্যক্তির চেয়ে দল বড়,তাছাড়া বিদ্রোহের জন্য যদি ধানের শীষের পরাজয় হয়,তাহলে সেই পরাজয় তাদেরও,আবার যদি বিজয় হয় সেই বিজয়ের অংশীদার তারাও।
অন্যদিকে রাজশাহী-১ আসনের ভোটারদের বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন নয় সরকার গঠনের নির্বাচন। কাজেই যে দলের সরকার গঠনের সম্ভবনা রয়েছে সেই দলের প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে ধানের শীষের বিজয় চাই।
এদিকে সাধারণ মানুষ বলছে, ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও প্রকৌশলী ড, এম আসাদুজ্জামানের হাতে যে অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়েছে,সেই উন্নয়নের সুফল কি শুধু বিএনপির দলীয় মানুষ ভোগ করছেন ? তাহলে যে পরিবার এই জনপদের মানুষের জন্য এতো কিছু করেছেন,তাদের প্রতি কি এই জনপদের মানুষের কোনো দায়বদ্ধতা নাই। সে হিসেবে সেই পরিবারের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন কি এসব মানুষের কাছে থেকে একটি ভোট প্রত্যাশা করতে পারেন না,এটা তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ তার অধিকার।কারণ প্রতিটি দানই, প্রতিদান চাই। তাহলে যে পরিবার এই জনপদের মানুষের জন্য এতোকিছু দান করলেন, প্রতিদান হিসেবে সেই পরিবারের সদস্য শরিফ উদ্দিন এসব মানুষের একটা করে ভোট প্রত্যাশা করতেই পারেন এটা তার অধিকার। সচেতন মহল বলছে,যারা উপকারীর উপকার শিকার করে না, দানের প্রতিদান দেন না বা দেবার চেষ্টা করে না তারা অকৃতজ্ঞ।আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য।
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দলে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা থাকবে এটা স্বাভাবিক।কিন্ত্ত দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমরা সবাই একতাবদ্ধ।তিনি বলেন,ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপির সকল স্তরের নেতা ও কর্মীসমর্থকগণ একট্টা হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, তারা আশাবাদী দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।
বিএনপি নেতাকর্মীদের বোধদয় এটা তারেক রহমান ও বিএনপির প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে ধানের শীষের বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না।
এদিকে নেতাকর্মীদের মাঝে এমন বোধদয় সৃষ্টির পর মনোনয়ন বঞ্চিতদের ক্ষোভ আর মান-অভিমান দুর হয়েছে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কোমর বেঁধে নেমেছেন প্রচারণায়।এতে রাতারাতি ভোটের হিসেব-নিকেশ পাল্টে গেছে। বিএনপির ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যর কোনো বিকল্প নাই।ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তোষের বরফ গলতে শুরু করেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভিমানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, তারাও নির্বাচন সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণা মুখর জমজমাট হয়ে উঠেছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত ,ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের আহবানে সাড়া দিয়ে অতীতের ভেদাভেদ ভুলে বহুধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রমাণ করেছে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
জানা গেছে,রাজশাহী-১ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিএনপিতে ছিল বিশৃঙ্খল অবস্থা।অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেননি। মান-অভিমান নিয়ে কেউ গুটিয়ে রাখেন নিজেকে, আবার কেউ সিদ্ধান্ত না মেনে ছিলেন মাঠে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামা থেকে বিরত ছিলেন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরাও। কিন্তু দলীয় কঠোর নির্দেশনায় প্রতীক বরাদ্দের পর ঐক্য ফিরেছে বিএনপিতে। দিন যত যাচ্ছে দূরত্ব ঘুচিয়ে দলীয় প্রতীক বিজয়ী করতে এককাট্টা হয়ে এবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা। এই আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। রাজশাহী-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক সামরিক সচিব ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন। শরিফ উদ্দিনকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পরিবর্তনের আশায় মাঠে ছিলেন বিএনপি নেতা ও শিল্পপতি এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক।
দুই নেতার পাল্টাপাল্টি শোডাউনে বিভক্ত হয়ে পড়েন দলের নেতা-কর্মীরা।কিন্তু প্রতীক বরাদ্দের পর সেই দূরত্ব আর অনৈক্য ঘুচে যায়। বিভেদ ভুলে মনোনয়ন বঞ্চিতরা এককাট্টা হয়ে যান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে। মনোনয়ন বঞ্চিতদের দাবি ব্যক্তির চেয়ে দল বড়,তাছাড়া বিদ্রোহের জন্য যদি ধানের শীষের পরাজয় হয়,তাহলে সেই পরাজয় তাদেরও,আবার যদি বিজয় হয় সেই বিজয়ের অংশীদার তারাও।
অন্যদিকে রাজশাহী-১ আসনের ভোটারদের বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন নয় সরকার গঠনের নির্বাচন। কাজেই যে দলের সরকার গঠনের সম্ভবনা রয়েছে সেই দলের প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়, তারা উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে ধানের শীষের বিজয় চাই।
এদিকে সাধারণ মানুষ বলছে, ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও প্রকৌশলী ড, এম আসাদুজ্জামানের হাতে যে অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়েছে,সেই উন্নয়নের সুফল কি শুধু বিএনপির দলীয় মানুষ ভোগ করছেন ? তাহলে যে পরিবার এই জনপদের মানুষের জন্য এতো কিছু করেছেন,তাদের প্রতি কি এই জনপদের মানুষের কোনো দায়বদ্ধতা নাই। সে হিসেবে সেই পরিবারের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন কি এসব মানুষের কাছে থেকে একটি ভোট প্রত্যাশা করতে পারেন না,এটা তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ তার অধিকার।কারণ প্রতিটি দানই, প্রতিদান চাই। তাহলে যে পরিবার এই জনপদের মানুষের জন্য এতোকিছু দান করলেন, প্রতিদান হিসেবে সেই পরিবারের সদস্য শরিফ উদ্দিন এসব মানুষের একটা করে ভোট প্রত্যাশা করতেই পারেন এটা তার অধিকার। সচেতন মহল বলছে,যারা উপকারীর উপকার শিকার করে না, দানের প্রতিদান দেন না বা দেবার চেষ্টা করে না তারা অকৃতজ্ঞ।আর অকৃতজ্ঞদের ধ্বংস অনিবার্য।
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দলে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা থাকবে এটা স্বাভাবিক।কিন্ত্ত দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমরা সবাই একতাবদ্ধ।তিনি বলেন,ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপির সকল স্তরের নেতা ও কর্মীসমর্থকগণ একট্টা হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। তিনি বলেন, তারা আশাবাদী দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।