সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা বিষয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর এলাকা থেকে সেনাবাহিনী এক বিদেশি রিভলবার, পিস্তলের ম্যাগাজিন ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদসহ এক তালিকাভুক্ত অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টায় বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (৩৫) নামক এক তালিকাভুক্ত অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় অভিযানে ১টি বিদেশি রিভলভার, ১টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড রিভলবারের গোলাবারুদ এবং ১১ রাউন্ড শট গান গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো আইন অনুযায়ী হাতিয়াসহ আলাদা করে রাখা হয়েছে।
সরকারি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি পুলিশের নজরদারিতে ছিল এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার শঙ্কা ছিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার জন্য যে কেউ যদি তথ্য জানতে বা ধারণ করতে পারেন, তবে তা নিকটস্থ সেনা ক্যম্প বা যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দয়া করে জানান।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টায় বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে মোহাম্মদ আতিকুর রহমান (৩৫) নামক এক তালিকাভুক্ত অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় অভিযানে ১টি বিদেশি রিভলভার, ১টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড রিভলবারের গোলাবারুদ এবং ১১ রাউন্ড শট গান গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো আইন অনুযায়ী হাতিয়াসহ আলাদা করে রাখা হয়েছে।
সরকারি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি পুলিশের নজরদারিতে ছিল এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার শঙ্কা ছিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার জন্য যে কেউ যদি তথ্য জানতে বা ধারণ করতে পারেন, তবে তা নিকটস্থ সেনা ক্যম্প বা যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দয়া করে জানান।