ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনায় বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভ, খারকিভ ও জাপোরিঝিয়ায় চালানো এ হামলায় দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। মাইনাস ২০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেই লাখো মানুষ পড়েছে তীব্র দুর্ভোগে।
গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিয়মিত ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালায়নি রাশিয়া। দিনভর কোথাও বিদ্যুৎকেন্দ্র বা গ্রিডে হামলার খবর আসেনি বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
জেলেনস্কির এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হয় হামলা। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাপমাত্রা কমার অপেক্ষায় ছিল মস্কো। এরপরই এ ধরনের বড় হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাশিয়া ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
তীব্র শীতের রাতে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় কেঁপে ওঠে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ, জাপোরিঝিয়াসহ বিভিন্ন শহর। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে ৪৫০টি ড্রোন ও ৬০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। যা চলতি বছরের অন্যতম ভয়াবহ হামলা। এ ঘটনায় হতাহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মাইনাস ২০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেই রাজধানীতে এক হাজারের বেশি ভবনে হিটিং ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা জানান, তাপমাত্রা নামার অপেক্ষা করেই জ্বালানি ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে রাশিয়া।
আসন্ন রাশিয়া-ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এমন ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষিতে কিয়েভের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রচেষ্টাকে উপেক্ষা করার শামিল। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেয়া এক সপ্তাহ হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতির চারদিনের মাথায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে মস্কো।
জেলেনস্কি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করব। আশা করি, যা ঘটছে সে বিষয়ে আমাদের মিত্ররা নীরব থাকবেন না। আমাদের দেশের প্রতিরক্ষা এবং আমাদের জনগণের সুরক্ষায় অব্যাহত সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে জেলেনস্কির এমন দাবি অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন। মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি সাক্ষর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইউক্রেনে মিত্রবাহিনীর উপস্থিতি দেখা যাবে। জেলেনস্কিকে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, স্থলবাহিনী, আকাশে বিমান এবং সমুদ্রে নৌ সহায়তা তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন হবে। বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জে ন্যাটোর মনোযোগ বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা নাকচ করে রুটে বলেন, ইউক্রেন ন্যাটোর নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রয়েছে।
রাশিয়ার এমন হামলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবাক হননি বলে মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট।
গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিয়মিত ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে কোনো ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা চালায়নি রাশিয়া। দিনভর কোথাও বিদ্যুৎকেন্দ্র বা গ্রিডে হামলার খবর আসেনি বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
জেলেনস্কির এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হয় হামলা। ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাপমাত্রা কমার অপেক্ষায় ছিল মস্কো। এরপরই এ ধরনের বড় হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাশিয়া ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
তীব্র শীতের রাতে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় কেঁপে ওঠে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ, খারকিভ, জাপোরিঝিয়াসহ বিভিন্ন শহর। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনকে লক্ষ্য করে ৪৫০টি ড্রোন ও ৬০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে রাশিয়া।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু করে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়। যা চলতি বছরের অন্যতম ভয়াবহ হামলা। এ ঘটনায় হতাহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মাইনাস ২০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যেই রাজধানীতে এক হাজারের বেশি ভবনে হিটিং ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা জানান, তাপমাত্রা নামার অপেক্ষা করেই জ্বালানি ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে রাশিয়া।
আসন্ন রাশিয়া-ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্রের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এমন ভয়াবহ হামলার প্রেক্ষিতে কিয়েভের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রচেষ্টাকে উপেক্ষা করার শামিল। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেয়া এক সপ্তাহ হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতির চারদিনের মাথায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে মস্কো।
জেলেনস্কি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করব। আশা করি, যা ঘটছে সে বিষয়ে আমাদের মিত্ররা নীরব থাকবেন না। আমাদের দেশের প্রতিরক্ষা এবং আমাদের জনগণের সুরক্ষায় অব্যাহত সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে জেলেনস্কির এমন দাবি অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন। মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি সাক্ষর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ইউক্রেনে মিত্রবাহিনীর উপস্থিতি দেখা যাবে। জেলেনস্কিকে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, স্থলবাহিনী, আকাশে বিমান এবং সমুদ্রে নৌ সহায়তা তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন হবে। বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জে ন্যাটোর মনোযোগ বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা নাকচ করে রুটে বলেন, ইউক্রেন ন্যাটোর নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রয়েছে।
রাশিয়ার এমন হামলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবাক হননি বলে মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট।