প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ না খেললেও এই দুদলের ম্যাচের চাহিদা জনপ্রিয়তার শীর্ষে। গত বছরের এশিয়া কাপে এই দুদলের ম্যাচে ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৪ লাখ থেকে ১৬ লাখ রুপি পর্যন্ত গুনতে হয়েছে।
আর্থিক এই দিকটি মাথায় রেখে এক দশকের বেশি সময় ধরে যে কোনো ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তানের একই গ্রুপে থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এশিয়া কাপে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল যেমন করছে, তেমনি আইসিসি ইভেন্টে আইসিসি। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে।
হাইব্রিড মডেলের অংশ হিসেবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচটি খেলার কথা। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলা হয়, ‘পাকিস্তান ইসলামিক রিপাবলিকের সরকার আইসিসি বিশ্ব টি-টোয়েন্টি ২০২৬–এ অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন প্রদান করছে। তবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’
পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত না-ই খেলে, তবে আইসিসি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। ক্রিকবাজ বলছে, প্রায় দেড়শ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতের প্রতি ম্যাচের আর্থিক মূল্য আইসিসির কাছে ১০ থেকে ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ভারতীয় রুপিতে প্রায় ১০০ কোটি। ম্যাচটি যদি পাকিস্তানের বিপক্ষে হয়, তবে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সে হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় আইসিসির ক্ষতির পরিমাণ আড়াইশ কোটি ছাড়াবে।
পাকিস্তানও বেশি কিছু ক্ষতির মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচের ২ পয়েন্ট ভারত পেয়ে যাবে। আইসিসির ১৬.১০.৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দল ম্যাচ না খেললে তা তাদের নেট রানরেটে প্রভাব ফেলে। তবে ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আইসিসি পিসিবিকে দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা করার সতর্কবাতা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, ‘এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রিকেট বা সারা বিশ্বের সমর্থকদের কল্যাণের পক্ষে নয়। এর মধ্যে পাকিস্তানের লাখ লাখ ভক্তও অন্তর্ভুক্ত। আইসিসি আশা করে, পিসিবি তাদের নিজ দেশের ক্রিকেটের ওপর এর গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করবে, কারণ এটা বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। পিসিবি নিজেও এর একজন সদস্য ও সুবিধাভোগী।’
আর্থিক এই দিকটি মাথায় রেখে এক দশকের বেশি সময় ধরে যে কোনো ইভেন্টে ভারত ও পাকিস্তানের একই গ্রুপে থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এশিয়া কাপে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল যেমন করছে, তেমনি আইসিসি ইভেন্টে আইসিসি। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারত ও পাকিস্তান একই গ্রুপে।
হাইব্রিড মডেলের অংশ হিসেবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের ম্যাচটি খেলার কথা। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলা হয়, ‘পাকিস্তান ইসলামিক রিপাবলিকের সরকার আইসিসি বিশ্ব টি-টোয়েন্টি ২০২৬–এ অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন প্রদান করছে। তবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’
পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত না-ই খেলে, তবে আইসিসি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। ক্রিকবাজ বলছে, প্রায় দেড়শ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতের প্রতি ম্যাচের আর্থিক মূল্য আইসিসির কাছে ১০ থেকে ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ভারতীয় রুপিতে প্রায় ১০০ কোটি। ম্যাচটি যদি পাকিস্তানের বিপক্ষে হয়, তবে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সে হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় আইসিসির ক্ষতির পরিমাণ আড়াইশ কোটি ছাড়াবে।
পাকিস্তানও বেশি কিছু ক্ষতির মুখোমুখি হবে। ওই ম্যাচের ২ পয়েন্ট ভারত পেয়ে যাবে। আইসিসির ১৬.১০.৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো দল ম্যাচ না খেললে তা তাদের নেট রানরেটে প্রভাব ফেলে। তবে ভারতের নেট রানরেটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আইসিসি পিসিবিকে দেশের ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনা করার সতর্কবাতা দিয়েছে। এক বিবৃতিতে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, ‘এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রিকেট বা সারা বিশ্বের সমর্থকদের কল্যাণের পক্ষে নয়। এর মধ্যে পাকিস্তানের লাখ লাখ ভক্তও অন্তর্ভুক্ত। আইসিসি আশা করে, পিসিবি তাদের নিজ দেশের ক্রিকেটের ওপর এর গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করবে, কারণ এটা বৈশ্বিক ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। পিসিবি নিজেও এর একজন সদস্য ও সুবিধাভোগী।’