ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের তিন মাস না পেরোতেই পারিবারিক কলহের জেরে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম তাহসিন আহমেদ ফারহা (১৭)। তিনি কলেজপাড়া এলাকার সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী শামীম চৌধুরীর মেয়ে। প্রায় তিন মাস আগে আখাউড়া উপজেলার ধাতুর পহেলা গ্রামের আব্বাস মিয়ার ছেলে সখিন মিয়ার (২৪) সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে দ্রুত তাকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আয়ুব চৌধুরী মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করে জানান, বিয়ের পর থেকেই স্বামী সখিন মিয়া নানা অজুহাতে ফারহার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এ বিষয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে জানানো হলেও কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক পর্যায়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ফারহা বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, শনিবার রাতে স্বামী সখিন মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এলে তাদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। এর পরদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফারহার ছোট বোন তাকুয়া তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বিষয়টি মাকে জানায়।
নিহতের মা উম্মে হাবীবা রোমা বলেন, বিয়ে দেওয়ার পর থেকেই আমার মেয়েকে নানাভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। আমার মেয়ে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত তানভীর জানান, মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলেজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূর নাম তাহসিন আহমেদ ফারহা (১৭)। তিনি কলেজপাড়া এলাকার সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী শামীম চৌধুরীর মেয়ে। প্রায় তিন মাস আগে আখাউড়া উপজেলার ধাতুর পহেলা গ্রামের আব্বাস মিয়ার ছেলে সখিন মিয়ার (২৪) সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে দ্রুত তাকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আয়ুব চৌধুরী মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করে জানান, বিয়ের পর থেকেই স্বামী সখিন মিয়া নানা অজুহাতে ফারহার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। এ বিষয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে জানানো হলেও কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক পর্যায়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ফারহা বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, শনিবার রাতে স্বামী সখিন মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এলে তাদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। এর পরদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফারহার ছোট বোন তাকুয়া তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বিষয়টি মাকে জানায়।
নিহতের মা উম্মে হাবীবা রোমা বলেন, বিয়ে দেওয়ার পর থেকেই আমার মেয়েকে নানাভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। আমার মেয়ে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত তানভীর জানান, মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।