বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে কর্মজীবী নারীদের নিয়ে 'আবমাননাকর' মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ গণমাধ্যমকে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল নারীকে দেশের অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে- এটি নতুন নয়, তাদের দীর্ঘদিনের নীতি। ইতিহাস ও সাম্প্রতিক ঘটনাই এটি প্রমাণ করে।
তিনি আরও বলেন, কর্মজীবী নারীদের সম্মান দিতে হবে, অবমাননার জন্য জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে। আর নারীরা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
সমাবেশে লেখক ও গবেষক মাহতাব উদ্দিন বলেন, জামায়াত বারবার মিথ্যা ও নাটক করে নিজেদের সমর্থকদের ভুল ধারণায় ফেলছে। তাদের আমিরের এক্স আইডি হ্যাকের প্রমাণ দেখানোর দাবি ব্যর্থ হয়েছে। হ্যাক হলে প্রথমেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হতো কিন্তু তারা নিজেরাই তা বদলেছে- এটাই প্রকাশ করে এটি একটি সাজানো নাটক। নারীদের ওপর অবমাননাকর মনোভাব জামায়াতের দীর্ঘদিনের নীতি। কর্মজীবী নারীদের সম্মান নস্যাৎ করার এই মনোভাব তাদের তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়। নির্বাচন কমিশন এই ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করুক। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে জামায়াতের আমিরকে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নারীকে অবমাননার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে। স্বাধীনতার পর থেকে তারা একমাত্র মুনাফিকি ছাড়া কোনো দায়িত্বই সফলভাবে পালন করতে পারেনি। অতীত থেকে তাদের কোনো শিক্ষা নেই বরং আরও নিকৃষ্ট ও ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ সময় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ গণমাধ্যমকে বলেন, একটি রাজনৈতিক দল নারীকে দেশের অগ্রযাত্রার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে- এটি নতুন নয়, তাদের দীর্ঘদিনের নীতি। ইতিহাস ও সাম্প্রতিক ঘটনাই এটি প্রমাণ করে।
তিনি আরও বলেন, কর্মজীবী নারীদের সম্মান দিতে হবে, অবমাননার জন্য জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে। আর নারীরা তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
সমাবেশে লেখক ও গবেষক মাহতাব উদ্দিন বলেন, জামায়াত বারবার মিথ্যা ও নাটক করে নিজেদের সমর্থকদের ভুল ধারণায় ফেলছে। তাদের আমিরের এক্স আইডি হ্যাকের প্রমাণ দেখানোর দাবি ব্যর্থ হয়েছে। হ্যাক হলে প্রথমেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হতো কিন্তু তারা নিজেরাই তা বদলেছে- এটাই প্রকাশ করে এটি একটি সাজানো নাটক। নারীদের ওপর অবমাননাকর মনোভাব জামায়াতের দীর্ঘদিনের নীতি। কর্মজীবী নারীদের সম্মান নস্যাৎ করার এই মনোভাব তাদের তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়। নির্বাচন কমিশন এই ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করুক। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে জামায়াতের আমিরকে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল নারীকে অবমাননার মাধ্যমে ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে। স্বাধীনতার পর থেকে তারা একমাত্র মুনাফিকি ছাড়া কোনো দায়িত্বই সফলভাবে পালন করতে পারেনি। অতীত থেকে তাদের কোনো শিক্ষা নেই বরং আরও নিকৃষ্ট ও ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছে।