বলিউডের অন্যতম চর্চিত দম্পতি রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট। যাঁদের প্রেমের শুরুটা গোপনে থাকলেও প্রকাশ্যে একাধিকবার ফাটল ঘিরে জল্পনা ওঠে তুঙ্গে। সম্পর্কের সাত বছর, রয়েছে একটি সন্তানও, তবে তাঁদের জুটি নিয়ে একশ্রেণি মাঝে মধ্যেই প্রশ্ন তুলে থাকেন। কেউ প্রশ্ন তোলেন কাপুর পরিবারের সঙ্গে আলিয়ার সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে, কেউ আবার প্রশ্ন তোলেন রণবীর-আলিয়ার সম্পর্কে দূরত্ব নিয়ে। যদিও সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা একেবারেই পছন্দ করেন না বলিপাড়ার এই জুটি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া তাঁর বিয়ে এবং তা ঘিরে সোশাল মিডিয়ার নানা মন্তব্য প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। অভিনেত্রীর কথায়, অনলাইনে যে ‘নয়েজ’ বা শোরগোল তৈরি হয়, তা আদৌ তাঁদের কানে পৌঁছয় না। কারণ, সেই মন্তব্যগুলো বাস্তব জীবনের প্রতিফলন নয় বলেই মনে করেন তিনি।
আলিয়া বলেন, মানুষ সাধারণত তিন থেকে সাত সেকেন্ডের কোনও ভিডিও ক্লিপ বা ছবি দেখেই প্রতিক্রিয়া জানায়। অথচ তাঁদের সম্পর্কের বয়স সাত বছর। সেই দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, বোঝাপড়া এবং একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ওজন কয়েক সেকেন্ডের মন্তব্যের তুলনায় অনেক বেশি বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।
রণবীর ও আলিয়ার সম্পর্কের শুরু হয়েছিল ছবির শুটিংয়ের সূত্রে। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হয়েছে। প্রকাশ্যে খুব বেশি ব্যক্তিগত কথা না বললেও, বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভরসার কথা তুলে ধরেছেন দু’জনেই। ২০২২ সালে বিয়ে এবং তার পর কন্যাসন্তানের জন্ম—এই সবকিছুর মধ্যেও তাঁরা চেষ্টা করেছেন ব্যক্তিগত জীবনকে যতটা সম্ভব আড়ালেই রাখতে।
তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে যে বাড়তি নজরদারি আসে, তা অস্বীকার করেননি আলিয়া। তবুও তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্য ক্ষণস্থায়ী। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, পারিবারিক বন্ধন এবং একসঙ্গে কাটানো সময়ই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আলিয়ার এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, তারকাখ্যাতির বাইরেও রণবীর-আলিয়া নিজেদের সম্পর্ককে দেখেন একেবারে সাধারণ দাম্পত্যের মতোই—যেখানে বাইরের কথার চেয়ে ভিতরের বোঝাপড়াই শেষ কথা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া তাঁর বিয়ে এবং তা ঘিরে সোশাল মিডিয়ার নানা মন্তব্য প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। অভিনেত্রীর কথায়, অনলাইনে যে ‘নয়েজ’ বা শোরগোল তৈরি হয়, তা আদৌ তাঁদের কানে পৌঁছয় না। কারণ, সেই মন্তব্যগুলো বাস্তব জীবনের প্রতিফলন নয় বলেই মনে করেন তিনি।
আলিয়া বলেন, মানুষ সাধারণত তিন থেকে সাত সেকেন্ডের কোনও ভিডিও ক্লিপ বা ছবি দেখেই প্রতিক্রিয়া জানায়। অথচ তাঁদের সম্পর্কের বয়স সাত বছর। সেই দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, বোঝাপড়া এবং একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের ওজন কয়েক সেকেন্ডের মন্তব্যের তুলনায় অনেক বেশি বলেই মনে করেন অভিনেত্রী।
রণবীর ও আলিয়ার সম্পর্কের শুরু হয়েছিল ছবির শুটিংয়ের সূত্রে। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হয়েছে। প্রকাশ্যে খুব বেশি ব্যক্তিগত কথা না বললেও, বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভরসার কথা তুলে ধরেছেন দু’জনেই। ২০২২ সালে বিয়ে এবং তার পর কন্যাসন্তানের জন্ম—এই সবকিছুর মধ্যেও তাঁরা চেষ্টা করেছেন ব্যক্তিগত জীবনকে যতটা সম্ভব আড়ালেই রাখতে।
তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে যে বাড়তি নজরদারি আসে, তা অস্বীকার করেননি আলিয়া। তবুও তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্য ক্ষণস্থায়ী। বাস্তব জীবনের সম্পর্ক, পারিবারিক বন্ধন এবং একসঙ্গে কাটানো সময়ই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
আলিয়ার এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, তারকাখ্যাতির বাইরেও রণবীর-আলিয়া নিজেদের সম্পর্ককে দেখেন একেবারে সাধারণ দাম্পত্যের মতোই—যেখানে বাইরের কথার চেয়ে ভিতরের বোঝাপড়াই শেষ কথা।