রাজশাহীর পবা-মোহনপুর আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষির আধুনিকায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
শনিবার সকালে কেশরহাট পৌর এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
সকালে কেশরহাট মহিলা কলেজপাড়া থেকে গণসংযোগ শুরু করেন মিলন। তিনি বলেন, পবা-মোহনপুর কৃষিভান্ডার হিসেবে পরিচিত। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং ফলন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মিলন অভিযোগ করেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের অপরিশোধিত বর্জ্য পানি ড্রেনের মাধ্যমে বারনই নদীতে পড়ছে, যা পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, এই পানি পরিশোধনের ব্যবস্থা করা হবে এবং বারনই নদী সংস্কার করা হবে।
তিনি আরও জানান, দখল হওয়া খাল উদ্ধার করে পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল করা হবে, যাতে কৃষকরা সেচের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
কৃষি উন্নয়নের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে একটি কৃষি কলেজ স্থাপন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ এবং একটি কৃষি ইপিজেড গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন মিলন। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, কিশোর গ্যাং দমন এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নতির প্রতিও জোর দেন।
শিক্ষা খাত নিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। আমরা জীবনমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব। এছাড়া পবা-মোহনপুর এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যে রয়েছে, তবে নির্বাচনের ট্রেন থামানো যাবে না। ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, জান্নাত বা জাহান্নামের সিদ্ধান্ত একমাত্র আল্লাহর, কোনো রাজনৈতিক দল তা দিতে পারে না। ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
মিলন দাবি করেন, বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং ভোটাররা সমর্থনের আশ্বাস দিচ্ছেন। নির্বাচিত হলে নারীদের ক্ষমতায়ন ও পরিবারে সম্মান বৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি খেলাধুলাকে প্রাথমিক স্তর থেকে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথাও জানান।
এছাড়া সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবার রক্ত লাল। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিম, সবার অংশগ্রহণে আমরা পবা-মোহনপুরের উন্নয়ন করব।
গণসংযোগকালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসীর একটি অংশও তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা প্রার্থীর কাছে তুলে ধরেন।
শনিবার সকালে কেশরহাট পৌর এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
সকালে কেশরহাট মহিলা কলেজপাড়া থেকে গণসংযোগ শুরু করেন মিলন। তিনি বলেন, পবা-মোহনপুর কৃষিভান্ডার হিসেবে পরিচিত। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং ফলন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মিলন অভিযোগ করেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের অপরিশোধিত বর্জ্য পানি ড্রেনের মাধ্যমে বারনই নদীতে পড়ছে, যা পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। তিনি বলেন, এই পানি পরিশোধনের ব্যবস্থা করা হবে এবং বারনই নদী সংস্কার করা হবে।
তিনি আরও জানান, দখল হওয়া খাল উদ্ধার করে পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল করা হবে, যাতে কৃষকরা সেচের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
কৃষি উন্নয়নের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে একটি কৃষি কলেজ স্থাপন, কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ এবং একটি কৃষি ইপিজেড গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন মিলন। পাশাপাশি বেকারত্ব দূরীকরণ, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, কিশোর গ্যাং দমন এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নতির প্রতিও জোর দেন।
শিক্ষা খাত নিয়ে তিনি বলেন, বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। আমরা জীবনমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করব। এছাড়া পবা-মোহনপুর এলাকার রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। আদিবাসী ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মিলন বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বানচালের নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যে রয়েছে, তবে নির্বাচনের ট্রেন থামানো যাবে না। ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, জান্নাত বা জাহান্নামের সিদ্ধান্ত একমাত্র আল্লাহর, কোনো রাজনৈতিক দল তা দিতে পারে না। ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
মিলন দাবি করেন, বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগে তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং ভোটাররা সমর্থনের আশ্বাস দিচ্ছেন। নির্বাচিত হলে নারীদের ক্ষমতায়ন ও পরিবারে সম্মান বৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি এবং পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি খেলাধুলাকে প্রাথমিক স্তর থেকে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথাও জানান।
এছাড়া সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবার রক্ত লাল। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিম, সবার অংশগ্রহণে আমরা পবা-মোহনপুরের উন্নয়ন করব।
গণসংযোগকালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকাবাসীর একটি অংশও তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা প্রার্থীর কাছে তুলে ধরেন।