রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধোপাঘাটা বাজার ও আশেপাশের এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাতে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য (অ্যালকোহল/কট) অতিরিক্ত সেবনের কারণে চারজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। আরেকজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
মৃতরা হলেন: পিন্টু (৫৫), ধোপাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা, শাহিন আলম (৪৬), হাবিবুর রহমান হবি (৪৫)। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বুলবুল হোসেন (২৬), তিনি স্থানীয় ব্যক্তি ও মাদক কারবারী বলে জানা গেছে ।
মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন গুরুতর অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। রামেক হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হার্ট ফেইলিউর। এ ঘটনায় মামলার নথিভুক্তি হয়নি বলে জানান ওসি।
রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আখতার জানান, আগেও ওই এলাকায় অতিরিক্ত মাদক/অ্যালকোহল সেবনের কারণে জনে জনে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আবার একই ধরণের ঘটনার ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তথ্য না পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয়রা জানায়, মোহনপুর উপজেলার ধোপাঘাটা বাজার ও আশপাশে কয়েক মাস ধরে নেশাজাতীয় দ্রব্যের অতিরিক্ত সেবন ও চোলাই মদ/কট ব্যবহারের ফলে অন্তত ৮/১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যা জনজীবনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা নিরাপত্তা বৃদ্ধিসহ প্রশাসন স্তরে শক্তিশালী মাদকবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও স্বাস্থ্যসেবা জোরদার না হলে, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা উভয় দিকেই প্রবল।
মৃতরা হলেন: পিন্টু (৫৫), ধোপাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা, শাহিন আলম (৪৬), হাবিবুর রহমান হবি (৪৫)। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বুলবুল হোসেন (২৬), তিনি স্থানীয় ব্যক্তি ও মাদক কারবারী বলে জানা গেছে ।
মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন গুরুতর অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। রামেক হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে হার্ট ফেইলিউর। এ ঘটনায় মামলার নথিভুক্তি হয়নি বলে জানান ওসি।
রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেলেনা আখতার জানান, আগেও ওই এলাকায় অতিরিক্ত মাদক/অ্যালকোহল সেবনের কারণে জনে জনে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আবার একই ধরণের ঘটনার ফলে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তথ্য না পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত পরিচালনা করা হবে।
স্থানীয়রা জানায়, মোহনপুর উপজেলার ধোপাঘাটা বাজার ও আশপাশে কয়েক মাস ধরে নেশাজাতীয় দ্রব্যের অতিরিক্ত সেবন ও চোলাই মদ/কট ব্যবহারের ফলে অন্তত ৮/১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যা জনজীবনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তারা নিরাপত্তা বৃদ্ধিসহ প্রশাসন স্তরে শক্তিশালী মাদকবিরোধী কার্যক্রম গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও স্বাস্থ্যসেবা জোরদার না হলে, এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা উভয় দিকেই প্রবল।