নোয়াখালীর হাতিয়াতে ফেরি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপি নেতাকর্মিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ইটপাটকের নিক্ষেপে অন্তত ১২জন আহত হয়। তবে তাৎক্ষণিক আহতের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা হাতিয়ার নলচিরা ঘাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফেরি উদ্বোধনের খবরে বিএনপি ও এনসিপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মি নলচিরা ঘাট এলাকায় একত্রিত হন। ওই সময় ফেরি চালুর কৃতিত্ব নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয় স্থানীয় দুই পক্ষের স্থানীয় সমর্থকেরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের নেতাকর্মিরা আবারো পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও নৌপুলিশ বেদম লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন অনুষ্ঠানে আসা হাজারো উৎসুক মানুষ দিকবিদিক ছুটে আত্মরক্ষা করতে চেষ্টা করে।
নলচিরা ঘাট এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ফেরি ননচিরার ঘাটে ভেড়ার সাথে সাথে শাপলাকলির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে সমর্থকরা। এক এক পর্যায়ে ধানের শীষ সমর্থকদের পাল্টা শ্লোগান দিতে দেখা যায়। তখন ফেরির ক্রেডিট নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে সমর্থকদের ওপর হামলাকারীদের দুই ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দাবি করেছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। অন্যথায় তিনি নির্বাচনের মাঠ ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেন।
অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান শামীম গণমাধ্যম কর্মিদের বলেন, ফেরি চালু হওয়া হাতিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গেলে এনসিপির সন্ত্রাসীরা বিএনপির নেতাকর্মিদের ওপর হামলা চালায়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখনো আহতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা হাতিয়ার নলচিরা ঘাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফেরি উদ্বোধনের খবরে বিএনপি ও এনসিপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মি নলচিরা ঘাট এলাকায় একত্রিত হন। ওই সময় ফেরি চালুর কৃতিত্ব নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয় স্থানীয় দুই পক্ষের স্থানীয় সমর্থকেরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষ কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে হাতাহাতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের নেতাকর্মিরা আবারো পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও নৌপুলিশ বেদম লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন অনুষ্ঠানে আসা হাজারো উৎসুক মানুষ দিকবিদিক ছুটে আত্মরক্ষা করতে চেষ্টা করে।
নলচিরা ঘাট এলাকার বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ফেরি ননচিরার ঘাটে ভেড়ার সাথে সাথে শাপলাকলির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে সমর্থকরা। এক এক পর্যায়ে ধানের শীষ সমর্থকদের পাল্টা শ্লোগান দিতে দেখা যায়। তখন ফেরির ক্রেডিট নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এক পক্ষ অন্য পক্ষকে এলাকা থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
এদিকে সমর্থকদের ওপর হামলাকারীদের দুই ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার দাবি করেছেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। অন্যথায় তিনি নির্বাচনের মাঠ ছাড়ার হুঁশিয়ারি দেন।
অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহাবুবুর রহমান শামীম গণমাধ্যম কর্মিদের বলেন, ফেরি চালু হওয়া হাতিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গেলে এনসিপির সন্ত্রাসীরা বিএনপির নেতাকর্মিদের ওপর হামলা চালায়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখনো আহতদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।