বিএনপি চেয়ারম্যান দল ক্ষমতায় এলে রাজশাহী অঞ্চলের উন্নয়নকাজ, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ ও বরেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন। দলীয় নির্বাচনি জনসভায় বক্তৃতা করে তিনি শিক্ষানগরী, কৃষি ও কর্মসংস্থান, আইটি পার্ক সচলকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
বক্তা বলেন, তিনি প্রায় ২২ বছর পরে রাজশাহীতে জনসমাগমে অংশ নিচ্ছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক অনুভব করেন। জনসভায় তিনি বরেন্দ্র প্রকল্পের পুনরুজ্জীবন, খালগুলো খনন ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বক্তৃতায় তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় বরেন্দ্র প্রকল্প সক্রিয় ছিল, যা খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করতে সহায়তা করেছিল।
তিনি বলেন, আমরা বরেন্দ্র প্রকল্পকে পুনরায় চালু করতে চাই এবং খালগুলো খনন করতে চাই; পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে কাজ শুরু করতে চাই। তিনি বলেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষের উপকার হবে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়বে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, শিক্ষানগরী নামে পরিচিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আইটি পার্কের সম্ভাবনা এখনও কাজে না লাগানোর দিক নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, আইটি পার্ককে কার্যকর করতে ও তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায় উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, রাজশাহীতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে মানুষের চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে পরামর্শ চলছে, যাতে বাইরে চিকিৎসার জন্য যাওয়া কমে ও বৈদেশিক মুদ্রা দেশের মধ্যে থাকে।
কৃষি-সম্পর্কিত পরিকল্পনায় তিনি ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষি কার্ড বিতরণ, কপ্তি ঋণসহ সার ও বীজ সরবরাহের প্রতিশ্রæতি দেন। তিনি ঘোষণা করেন, নির্বাচনের পর ধানের শীষ বিজয়ী সরকার গঠন হলে ১০ হাজার টাকার ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।
বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তিনি বহুক্ষণ আলোচনায় বলেন। তিনি ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়ন দাবি করেন এবং জনগণকে সতর্ক থাকার আহŸান জানান।
সভায় তিনি সামাজিক ঐক্য, আইনশৃঙ্খলা, মৌলিক উন্নয়ন ও শান্তির ওপর জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হলে জনগণের কাজগুলো বাস্তবায়িত হবে।
অনুষ্ঠানে কৃষকদের, আইটি কর্মীদের, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি-সম্পর্কিত উদ্যোগসহ বহু উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন বক্তা। তিনি বরেন্দ্র প্রকল্প, পদ্মা ব্যারেজ, আইটি পার্ক ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে নির্বাচনি করণীয় হিসেবে ঘোষণা করেছেন, বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবন ও খাল খনন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে উদ্যোগ, রাজশাহীর আইটি পার্ক সচলকরণ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন, ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ, ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ মওকুফসহ কৃষি সহায়তা, গণতন্ত্র রক্ষা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রুটিন।
বক্তব্য শেষে তিনি জনগণের কাছে কাজ করব, সবার আগে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান দেন।
বক্তা বলেন, তিনি প্রায় ২২ বছর পরে রাজশাহীতে জনসমাগমে অংশ নিচ্ছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক অনুভব করেন। জনসভায় তিনি বরেন্দ্র প্রকল্পের পুনরুজ্জীবন, খালগুলো খনন ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। বক্তৃতায় তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময় বরেন্দ্র প্রকল্প সক্রিয় ছিল, যা খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করতে সহায়তা করেছিল।
তিনি বলেন, আমরা বরেন্দ্র প্রকল্পকে পুনরায় চালু করতে চাই এবং খালগুলো খনন করতে চাই; পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে কাজ শুরু করতে চাই। তিনি বলেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের মানুষের উপকার হবে এবং কৃষি উৎপাদন বাড়বে।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, শিক্ষানগরী নামে পরিচিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও আইটি পার্কের সম্ভাবনা এখনও কাজে না লাগানোর দিক নিয়ে উদ্বেগ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, আইটি পার্ককে কার্যকর করতে ও তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রফেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবায় উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, রাজশাহীতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে মানুষের চিকিৎসা সুবিধা বাড়াতে পরামর্শ চলছে, যাতে বাইরে চিকিৎসার জন্য যাওয়া কমে ও বৈদেশিক মুদ্রা দেশের মধ্যে থাকে।
কৃষি-সম্পর্কিত পরিকল্পনায় তিনি ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষি কার্ড বিতরণ, কপ্তি ঋণসহ সার ও বীজ সরবরাহের প্রতিশ্রæতি দেন। তিনি ঘোষণা করেন, নির্বাচনের পর ধানের শীষ বিজয়ী সরকার গঠন হলে ১০ হাজার টাকার ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।
বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তিনি বহুক্ষণ আলোচনায় বলেন। তিনি ১২ ফেব্রæয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়ন দাবি করেন এবং জনগণকে সতর্ক থাকার আহŸান জানান।
সভায় তিনি সামাজিক ঐক্য, আইনশৃঙ্খলা, মৌলিক উন্নয়ন ও শান্তির ওপর জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হলে জনগণের কাজগুলো বাস্তবায়িত হবে।
অনুষ্ঠানে কৃষকদের, আইটি কর্মীদের, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি-সম্পর্কিত উদ্যোগসহ বহু উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন বক্তা। তিনি বরেন্দ্র প্রকল্প, পদ্মা ব্যারেজ, আইটি পার্ক ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে নির্বাচনি করণীয় হিসেবে ঘোষণা করেছেন, বরেন্দ্র প্রকল্প পুনরুজ্জীবন ও খাল খনন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে উদ্যোগ, রাজশাহীর আইটি পার্ক সচলকরণ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন, ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ, ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ মওকুফসহ কৃষি সহায়তা, গণতন্ত্র রক্ষা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রুটিন।
বক্তব্য শেষে তিনি জনগণের কাছে কাজ করব, সবার আগে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ জিন্দাবাদ স্লোগান দেন।