বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে কৃষি ও জনজীবনে ভোগান্তি

আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৩:৫৯:১১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৩:৫৯:১১ অপরাহ্ন
রাজশাহী বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলে সুস্ক মৌসুম শুরু হবার আগেই বিদ্যুতের লোডশেডিং হঠাৎ তীব্রভাবে বেড়ে গেছে। যার কারণে কৃষি সেচ, জনজীবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস-আদালতে ব্যাপক দুর্ভোগ তৈরি হচ্ছে। জনজীবনে এই বিপর্যয় চলছে দিনরাত সমান তালে, কখনো এক ঘন্টা, কখনো দুই ঘন্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ যায়-আসে।

এই লোডশেডিং বিশেষভাবে গ্রামাঞ্চলে আরও তীব্র হওয়ায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার গ্রামগুলোতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৮/১০ বার eviload shedding হচ্ছে, বিশেষত তানোর, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর এলাকায়।

রাত ৯টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে শিক্ষার্থী ও অফিসপেশাজীবীরা ঘন্টা ব্যয় করছেন, ফটোকপি, কম্পিউটারসহ অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানায়, জেলায় প্রতিদিন প্রায় ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা থাকা সত্তে¡ও সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৫০/৫২ মেগাওয়াট। ফলে প্রতিদিন ৭/১০ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে, বিশেষত গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুতের লাইম্যানদের মতে, রামপালের একটি বিদ্যুৎ ইউনিট অকেজো হওয়া এবং কয়লার সংকটে কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তানোর, গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর-সহ বরেন্দ্র অঞ্চলের গ্রাম এলাকাগুলোতে লোডশেডিং সবচেয়ে বেশি।

হাজার হাজার কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও ঘরোয়া ব্যবহারকারীর জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ছে।

কৃষিক্ষেত্রে সেচ ব্যাহত হওয়ায় রবি মৌসুমে বোরো, আলু, পেয়াজ, ভুট্টা ও রসুনসহ অন্যান্য ফসলের পানির প্রয়োজন সময়মতো পূরণ হচ্ছে না।

তানোরের মুন্ডুমালার আলু চাষী জয়নাল বলেন, ৩০ বিঘা জমিতে সেচ দিতে গিয়ে সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় শ্রমিকদের বেতনেও লোকসান হয়েছে।

মুন্ডুমালা বাজারের ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান তুহিন বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসা কমে যাচ্ছে, ত্বরিত সমাধান চাই।

গত সোমবার থেকে নগরীসহ গ্রামাঞ্চলে সকাল থেকে রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বারংবার বিদ্যুত চলে আসা-যাওয়া ঘটছে।

রবি ফসলের ভরা মৌসুমে সময়ে সেচ না পেলে ফসলের উৎপাদন কমে যেতে পারে, তাই উদ্বিগ্ন কৃষকেরা।

জানা যায়, দৈনিক চাহিদা ৬০ মেগাওয়াট, প্রাপ্তি বিদ্যুৎ ৫০/৫২ মেগাওয়াট, ঘাটতি ১০ মেগাওয়াট। ফলে গ্রামাঞ্চলে নিয়মিত লোডশেডিং নিত্য দিনের ঘটনা।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে তানোর পল্লি-বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম তানভীর রহমান বলেন, তানোরে প্রতিদিন ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। সেখানে আমরা পাই ৮/১০ মেগাওয়াট। ঘাটতি থাকে গড়ে ৫/৭ মেগাওয়াট। তিনি আরও বলেন একই অবস্থা উপজেলার গোদাগাড়ী, মোহনপুর, বাগমারা ও দুর্গাপুর এলাকায়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]