বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “২০০১ সালের নির্বাচনে আপনারা মা-বোনেরা ডিম, মুরগি ও সবজি বিক্রি করে জমানো টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে আমাকে দিয়ে ছিলেন। সেই ভালোবাসার ঋণ আমি ভুলিনি। আপনাদের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। বিগত নির্বাচনগুলোতে আমি কথা বলতে পারতাম না, শুধু কেঁদেছি। এবার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নে কালিতলা এলাকায় এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ১৫-১৬ বছর আমরা আপনাদের সামনে আসতে পারি নাই তখন যে সরকার ছিল সে ছিলো একজন জুলুমবাজ সরকার । আমাদের শুধু তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত,আমর বিরুদ্ধে ১১৭টা মামলা দিয়েছিল। ঢাকায় পৌরসভায় যে ময়লার গাড়ীটি ছিল সেটি নাকি আমি পুড়িয়ে দিয়েছি। ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭০টি মিথ্যা মামলায় সাড়ে ৭হাজার আসামি ছিল। গড়েয়া ইউনিয়নে ৯জন মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছিল। মিথ্যা মামলায় পুলিশ আমাদের লোকজনদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত। প্রচন্ড শীতে কেউ গাছে উঠে থাকত,কেউ ধান ক্ষেতে লুকিয়ে থাকতো।
ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ভোটের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করতাম,কথা বলার সংগ্রাম করতাম। সারা দেশে ৬০লক্ষ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। “আপনারা অনেক বছর ভোট দিতে পারেননি। এবার সুযোগ এসেছে। আমাকে ধানের শীষে ভোট দিলে আমি সংসদে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করতে পারব। আমি কাজ করা মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের মা-বোন ও যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।”
চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে,মিলনপুর,আরাজি চন্ডিপুর পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নে কালিতলা এলাকায় এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ১৫-১৬ বছর আমরা আপনাদের সামনে আসতে পারি নাই তখন যে সরকার ছিল সে ছিলো একজন জুলুমবাজ সরকার । আমাদের শুধু তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত,আমর বিরুদ্ধে ১১৭টা মামলা দিয়েছিল। ঢাকায় পৌরসভায় যে ময়লার গাড়ীটি ছিল সেটি নাকি আমি পুড়িয়ে দিয়েছি। ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭০টি মিথ্যা মামলায় সাড়ে ৭হাজার আসামি ছিল। গড়েয়া ইউনিয়নে ৯জন মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছিল। মিথ্যা মামলায় পুলিশ আমাদের লোকজনদের তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত। প্রচন্ড শীতে কেউ গাছে উঠে থাকত,কেউ ধান ক্ষেতে লুকিয়ে থাকতো।
ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ভোটের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করতাম,কথা বলার সংগ্রাম করতাম। সারা দেশে ৬০লক্ষ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছিল। “আপনারা অনেক বছর ভোট দিতে পারেননি। এবার সুযোগ এসেছে। আমাকে ধানের শীষে ভোট দিলে আমি সংসদে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করতে পারব। আমি কাজ করা মানুষ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ভিক্ষা নিয়ে বাঁচতে চাই না, আমরা কাজ করে বাঁচতে চাই। ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের মা-বোন ও যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষিত করে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে।”
চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে,মিলনপুর,আরাজি চন্ডিপুর পথসভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।