জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি মোঃ মিজান (৫৩) ও সহযোগী পলাতক আসামি মোঃ মামুন (৩৮)কে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করেছে।
র্যাব-৭ সূত্রে জানায়, উভয় আসামিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে; এরপর তাদেরকে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী গ্রেফতার অভিযানের সময় বন্দুকধারী দুষ্কৃতিকারীদের হামলায় চার জন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন; চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একজন র্যাব সদস্য মৃত্যুবরণ করেন। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ওই ঘটনার পর ২২ জানুয়ারি সীতাকুন্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০/২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন (মামলা নং-২৪; ধারাসমূহ: ৩০২/৩০৭/৩৮৬/৩৩৩/৩৩৪/৩২৫/২২৪/২২৫/৩৪২/৪২৭/৩৬৪/৩৩২/৩৫৩/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০)।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬: র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, প্রধান পলাতক আসামি মোঃ মিজান চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। র্যাবের একটি টিম ১৭:৫৫ ঘটিকায় খুলশীর ইস্পাহানি মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সোমবার ২৬ জানুয়ারি অপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, পলাতক আসামি মোঃ মামুন বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বগুড়া নিবাস এলাকায় অবস্থান করছে। র্যাবের অন্য একটি দল ভোর সোয়া ৫টায় অভিযান করে তাকে আটক করে।
মোঃ মিজান, পিতা: শাহজাহান মোল্লা, প্রকাশ দেলোয়ার হোসেন; বাড়ি: নরুমপুর, থানা শাহরাস্তি, জেলা চাঁদপুর।
মোঃ মামুন, পিতা: (মৃত) বোরহান উদ্দিন; বাড়ি: কালাভানিয়া, থানা সন্দীপ, জেলা চট্টগ্রাম।
গ্রেফতারকৃত মিজান ও মামুনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭ সূত্রে জানায়, উভয় আসামিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে; এরপর তাদেরকে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী গ্রেফতার অভিযানের সময় বন্দুকধারী দুষ্কৃতিকারীদের হামলায় চার জন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন; চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় একজন র্যাব সদস্য মৃত্যুবরণ করেন। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ওই ঘটনার পর ২২ জানুয়ারি সীতাকুন্ড থানায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০/২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন (মামলা নং-২৪; ধারাসমূহ: ৩০২/৩০৭/৩৮৬/৩৩৩/৩৩৪/৩২৫/২২৪/২২৫/৩৪২/৪২৭/৩৬৪/৩৩২/৩৫৩/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০)।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬: র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, প্রধান পলাতক আসামি মোঃ মিজান চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকায় অবস্থান করছে। র্যাবের একটি টিম ১৭:৫৫ ঘটিকায় খুলশীর ইস্পাহানি মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
সোমবার ২৬ জানুয়ারি অপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, পলাতক আসামি মোঃ মামুন বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন বগুড়া নিবাস এলাকায় অবস্থান করছে। র্যাবের অন্য একটি দল ভোর সোয়া ৫টায় অভিযান করে তাকে আটক করে।
মোঃ মিজান, পিতা: শাহজাহান মোল্লা, প্রকাশ দেলোয়ার হোসেন; বাড়ি: নরুমপুর, থানা শাহরাস্তি, জেলা চাঁদপুর।
মোঃ মামুন, পিতা: (মৃত) বোরহান উদ্দিন; বাড়ি: কালাভানিয়া, থানা সন্দীপ, জেলা চট্টগ্রাম।
গ্রেফতারকৃত মিজান ও মামুনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সীতাকুন্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।