আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি পবা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পথসভা, কৃষক ও ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সমর্থন চাইতে দ্বিতীয় দিনের মতো মাঠে ছিলেন।
মিলন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহ-সম্পাদক এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার সকাল থেকে মিলন পবা উপজেলার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের আফি নেপাল পাড়া থেকে প্রচার শুরু করেন। এর আগে তিনি পাকুরিয়া মাঠে কৃষকদের সঙ্গে নির্বাচন ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সমর্থন কামনা করেন। পরে একই ইউনিয়নে একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।
শফিকুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামে একটি দল ধর্মকে রাজনীতির নামে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে লিপ্ত। ধর্মের নামে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা যায় না। মানুষ বেহেশত বা দোজখ পাবে তা জানেন একমাত্র আল্লাহ। তিনি ভোটারদের বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান।
মিলন আরও বলেন, যাদের জনপ্রিয়তা কম, তারাই ভোট কারচুপির আশ্রয় নেয়। বিএনপি নিয়ে কথা বলার আগে সংযত হওয়া উচিত। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।
প্রতিশ্রুতির মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন নারীদের ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি, খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন, পবা-মোহনপুরে একটি কৃষি ইপিজেড স্থাপনের পরিকল্পনা এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রদান।
মিলন বলেন, এলাকার রাস্তাঘাটের অযোগ্য অবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের অভাব রয়েছে। নির্বাচিত হলে প্রতিটি রাস্তার সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, রাস্তাও সংস্কার ও নির্মাণ করা হবে।
তিনি সকল ধর্মীয় ও শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম, পাদ্রী, পুরোহিতসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভাতার আওতায় আনা হবে।
সরকার সমালোচনা করে মিলন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বর্তমান সরকার জনগণের ওপর অত্যাচার ও অন্যায় পরিচালনা করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা হত্যা, গুম ও মামলার শিকার হয়েছেন; দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে রাষ্ট্রকে দুর্বল করা হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করেন তিনি।
দিবা উৎসবমুখর গণসংযোগে বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়; স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণায় নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এবং অনেকেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি আহ্বায়ক শাহাব উদ্দিন,সদস্য সচিব মোতাহার আলী, যুবদল রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মুজাদ্দেদ জামানী সুমন, যুবদল পবা উপজেলা শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সদস্য মাজদার রহমান, পবা উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মিলন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহ-সম্পাদক এবং রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
সোমবার সকাল থেকে মিলন পবা উপজেলার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের আফি নেপাল পাড়া থেকে প্রচার শুরু করেন। এর আগে তিনি পাকুরিয়া মাঠে কৃষকদের সঙ্গে নির্বাচন ও উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা করেন এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সমর্থন কামনা করেন। পরে একই ইউনিয়নে একটি নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখেন।
শফিকুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নামে একটি দল ধর্মকে রাজনীতির নামে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টিতে লিপ্ত। ধর্মের নামে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা যায় না। মানুষ বেহেশত বা দোজখ পাবে তা জানেন একমাত্র আল্লাহ। তিনি ভোটারদের বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান।
মিলন আরও বলেন, যাদের জনপ্রিয়তা কম, তারাই ভোট কারচুপির আশ্রয় নেয়। বিএনপি নিয়ে কথা বলার আগে সংযত হওয়া উচিত। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন।
প্রতিশ্রুতির মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন নারীদের ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি, খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়ন, পবা-মোহনপুরে একটি কৃষি ইপিজেড স্থাপনের পরিকল্পনা এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রদান।
মিলন বলেন, এলাকার রাস্তাঘাটের অযোগ্য অবস্থা ও পানি নিষ্কাশনের অভাব রয়েছে। নির্বাচিত হলে প্রতিটি রাস্তার সঙ্গে ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, রাস্তাও সংস্কার ও নির্মাণ করা হবে।
তিনি সকল ধর্মীয় ও শিক্ষার প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করে বলেন, ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম, পাদ্রী, পুরোহিতসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের ভাতার আওতায় আনা হবে।
সরকার সমালোচনা করে মিলন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বর্তমান সরকার জনগণের ওপর অত্যাচার ও অন্যায় পরিচালনা করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা হত্যা, গুম ও মামলার শিকার হয়েছেন; দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে রাষ্ট্রকে দুর্বল করা হয়েছে। পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ করেন তিনি।
দিবা উৎসবমুখর গণসংযোগে বিভিন্ন স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়; স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, হুজুরিপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণায় নারী-পুরুষের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এবং অনেকেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি আহ্বায়ক শাহাব উদ্দিন,সদস্য সচিব মোতাহার আলী, যুবদল রাজশাহী জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মুজাদ্দেদ জামানী সুমন, যুবদল পবা উপজেলা শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সদস্য মাজদার রহমান, পবা উপজেলা ছাত্রদল সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।